গত অগাস্ট থেকে জেলেই রয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। তাকে ভালোভাবে রাখা হয়নি বলে দাবি করলেন মুফতির কন্যা সানা ইলতিজা জাভেদ। বর্তমানে তাকে যে জায়গায় রাখা হয়েছে, সেখান থেকে স্থানান্তরিত করারও দাবি করলেন তিনি এবং কোনো অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটলে সরকারই দায়ী থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সানা ইলতিজা জাভেদ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করার পর থেকেই তার টুইটার হ্যান্ডেলটি সামলান সানা ইলতিজা জাভেদ। সেখানেই তিনি লেখেন, ‘আমার মায়ের ভালোর জন্য আমি বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে তাকে থাকার উপযুক্ত জায়গায় স্থানান্তরিত করার জন্য এক মাস আগে আমি শ্রীনগরের ডিসিকে লিখেছি। যদি তার কিছু হয়, এর জন্য ভারত সরকার দায়ী থাকবে।’
শ্রীনগরের ডেপুটি কমিশনারকে লেখা চিঠিও পোস্ট করেছেন মেহবুবা মুফতির কন্যা। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন, তিনি ভালো নেই, ফলে একজন চিকিত্সক ৬০ বছর বয়সি এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় দেখা গেছে, তার ভিটামিন ডি, হিমোগ্লোবিন ও ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কম রয়েছে। চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘যে জায়গায়, তাকে রাখা হয়েছে, তা কাশ্মীরের প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে থাকার উপযু্ক্ত নয়...আরো ভালো উপযুক্ত জায়গায় তাকে স্থানান্তরের জন্য আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
৪ অগাস্ট মেহবুবা মুফতিকে আটক করা হয়। এর পরদিনই জম্মু ও কাশ্মীরকে দেওয়া সংবিধানের ৩৭০ ধারা অনুযায়ী বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভাগ করে। সরকারের এই পদক্ষেপে যাতে কোনো অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য যে ৪০০ জন রাজনৈতিক নেতাকে আটক করা হয়, তাদের একজন মেহবুবা মুফতি। তাকে শ্রীনগরের একটি গেস্টহাউজে রাখা হয়।
গত মাসে সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়, ধাপে ধাপে আটক বা বন্দি থাকা রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দেওয়া হবে। যদিও সেই মুক্তির কোনো সময় জানানো হয়নি।
