খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:২৭

দেশে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। শহর ও গ্রাম উভয় পর্যায়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী লক্ষ্য করা গেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী রয়েছে। সেপ্টেম্বরে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩০ থেকে অক্টোবরে বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। পেঁয়াজের দাম বাড়লেও সার্বিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ফলে অক্টোবরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। গতকাল শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠক শেষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন তিনি। অক্টোবরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশে। সেপ্টেম্বরে এর পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বিবিএস এর তথ্যানুযায়ী এক মাসের ব্যবধানে শিম, মুলা, কাঁচা পেঁপে, করলা, পটোল, বরবটিসহ ফল জাতীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য কমেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবরে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে মজুরি হার কমেছে। এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি কমায় মজুরি হার কমলেও তেমন একটা সমস্যা হবে না।

অক্টোবর মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ, গত মাসে যা ছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। শহর ও গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, অক্টোবর মাসে গ্রামীণ পর্যায়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে  ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রামীণ পর্যায়ে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর খাদ্যবহিভূর্ত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ৫ দশমিক  ৪২ শতাংশ।

এদিকে, অক্টোবরে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশে যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। শহরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৩১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ১০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, যা এর আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ।