বাবুল-মতিউরকে মানিকগঞ্জ শ্রমিক লীগের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ০১:১২

মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বাবুল সরকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মতিউর রহমানকে সংগঠনটির কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সম্প্রতি মানিকগঞ্জ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ (ভারপ্রাপ্ত) মো. খুরশীদ আলম এ নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রশিদ জানান, গত ১৫ অক্টোবর শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা কমিটি কেন অবৈধ নয় তা জানতে আগামী সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শুকুর মাহামুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জেলা কমিটির সভাপতি বাবুল সরকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মতিউর রহমানকে এ নির্দেশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, সম্প্রতি জেলা শ্রমিক লীগের আগের কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ আলী বাদী হয়ে ‘অবৈধ’ কমিটি বাতিলের দাবিতে আদালতে মামলা করেন। শ্রমিক লীগ সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটি মো. আব্দুল জলিলকে সভাপতি এবং মো. হানিফ আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যের মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের কমিটির অনুমোদন দেয়। শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঐ কমিটির অনুমোদন দেন। কিন্তু পরে ১৫ অক্টোবর বাবুল সরকারকে সভাপতি ও কাজী মতিউর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের ৭১ সদস্যের আরেকটি কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি।

৭ অক্টোবর ঘোষিত জেলা শ্রমিক লীগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ আলী বলেন, ‘২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর বাবুল সরকারকে সভাপতি এবং তাকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের কমিটির অনুমোদন দেন। কিন্তু দীর্ঘ ২২ মাস অনুপস্থিত থাকা এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে জেলা কমিটির সভায় ৭১ সদস্যের মধ্যে ৫৫ জনের সম্মতিতে বাবুল সরকারকে বহিষ্কার করা হয়। ৭ অক্টোবর আব্দুল জলিলকে সভাপতি করে কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সেই কমিটিকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুমোদন দেন। কিন্তু  সাত দিনের মাথায় বাবুল সরকারকে সভাপতি করে আরেকটি কমিটির অনুমোদন দেওয়া হলে এ নিয়ে বিতর্ক জন্ম নেয়।’