সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
সীতাকুণ্ডে পুলিশি গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপি কোণঠাসা হয়ে মাঠে পুরোদমে নামতে না পারলেও আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি প্রচারণার দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আওয়ামী লীগের কোনো নেতা-কর্মীদের দ্বারা কোনো ধরনের বাধাগ্রস্ত বা কোনো প্রকার হামলা-হুমকির খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু পুলিশদ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে এবং মিটিং, মিছিল ও বাসা থেকে ধরে এনে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে দিচ্ছে বলে বিএনপির প্রার্থী ইসহাক কাদের চৌধুরী অভিযোগ করেন। তাই পুলিশি গ্রেফতার ও তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেয়ার ফলে আতঙ্কের কারণে আমরা কোণঠাসা হয়ে আছি। এমনকি উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তফজ্জল হোসেন জানান, সবসময় নেতা-কর্মীদের মনে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থা বিরাজ করে পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে। এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ্ থানার আংশিক এলাকা আসনে মোট ৬টি দল অংশগ্রহণ করে। রাজনৈতিক দলগুলো হলো— আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। তবে উক্ত ৬টি দল এ আসন থেকে নির্বাচন করলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান গণসংযোগে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আওয়ামী লীগ।
এ ব্যাপারে এমপি দিদার বলেন, নিজের অর্থায়নে জনগণের জন্য কাজ করাসহ জননেত্রী শেখ হাসিনার বরাদ্দ দেয়া অর্থে এলাকার ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করি। সুতরাং এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে আবার নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য সীতাকুণ্ডবাসীর কাছে আহ্বান জানান।
অপরদিকে মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ দিদারুল কবির নাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এ আসনে নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। কারণ জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারাদেশে ১৩২টি আসন উন্মুক্ত করায় এ আসনটিও উন্মুক্ত রাখা হয়। তিনি সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
নাঙ্গল প্রার্থী বলেন, আঃ লীগ ও জাতীয় পার্টি একজোটের হলেও ভোটাররা তাদের ব্যক্তিগত পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে। কারণ আমি জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলাম এবং শিক্ষাগত দিক দিয়ে, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতাসহ সবদিক দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছি।
