বুধবার আস্থা ভোটে ক্ষমতায় টিকে যাবার পর বড় আসা নিয়ে ব্রাসেলসে ইইউ সম্মেলনে গিয়েছিলেন। কিন্তু ব্রেক্সিট চুক্তিতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সীমান্ত নিয়ে যে সমঝোতা হয়েছে সে বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের কাছ থেকে আইনি নিশ্চয়তা চাইলেও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে। ব্রাসেলস বৈঠকের পর ইইউ নেতারা ‘ব্রেক্সিট নিয়ে নতুন আলোচনার সুযোগ নেই’ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের কাছ থেকে আরও আশ্বাসের প্রয়োজন ছিল থেরেসার। তা না পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে এখন আগের চুক্তি নিয়েই হাউস অব কমন্সের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে গত সপ্তাহেই পার্লামেন্টে ভোট হওয়ার কথা ছিল। বিরোধীদের পাশাপাশি নিজের দলের ভেতরেই প্রস্তাবটির তুমুল বিরোধীতা থাকায় ওই ভোট পিছিয়ে দিয়েছিলেন মে। এরপর নিজের দলের ভেতরেই বিদ্রোহের মুখে পড়ে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হন। সেই ভোটে উের যাওয়ার পর তিনি বৃহস্পতিবারই ব্রাসেলস যান।
মে বলেন, চুক্তিতে ব্রিটিশ সাংসদদের উদ্বেগের প্রতিফলন না থাকলে ব্রেক্সিট কার্যকর ‘ঝুঁকিতে পড়বে’। মের সঙ্গে আলোচনার পর জোটভুক্ত অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইইউ প্রেসিডেন্ট জাঙ্কার। পরে তিনি বলেন, ব্রেক্সিট চুক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু নতুন আলোচনার সুযোগ নেই। ব্রিটেন কি চায়, তা তাদেরই স্পষ্ট করতে হবে।
