শ্রুতিলেখকের সাহায্যে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হলো না সুদীপের

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০০:৪৮

 ‘শ্রুতিলেখক’-এর সাহায্য নিয়ে বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন না দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সুদীপ দাস। এখন পরীক্ষায় তাকে একাই অংশ নিতে হবে। ‘শ্রুতিলেখক’ চেয়ে তার দায়েরকৃত রিটে সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার তার আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। আজ শুক্রবার সহকারী জজ নিয়োগের লক্ষ্যে ত্রয়োদশতম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন ধার্য রয়েছে।

রিট খারিজের পর সুদীপ দাস বলেন, এর পরেও আমি একাই পরীক্ষায় অংশ নেব। প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষকদের সহায়তায় শুধু ওএমআর শিট পূরণ করে সাদা খাতা জমা দেব। তবু আমি আমার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হব না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন সুদীপ। পরপর দুবার আবেদন করেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায়। তাকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। এরপর তিনি ‘শ্রুতিলেখক’ চেয়ে আবেদন করেন কমিশন বরাবর। কিন্তু  ‘শ্রুতিলেখক’-এর সাহায্য নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমোদন দেয়নি কমিশন। কারণ, কমিশনের বিচারক নিয়োগ বিধিমালায় এ ধরনের প্রতিবন্ধীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। যার কারণে তিনি প্রবেশপত্র পেলেও ‘শ্রুতিলেখক’-এর সাহায্য নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা এবং আবেদনের পক্ষে আইনজীবী কুমার দেবুল দে শুনানি করেন।