যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে উত্তর করা প্রচলিত নিয়ম থেকে কঠিন নয়। বরং প্রচলিত নিয়মের প্রশ্নে শিক্ষার্থীদেরকে অনেক বেশি মুখস্থ করতে হয় যা কোমলমতি শিশুদের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। আর যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে মুখস্থ না করে বরং বিষয়বস্তু বোঝে লিখতে হয়। এ বিষয়ের ক্ষেত্রে বলতে পারি, যদি শিক্ষার্থীরা যেকোনো একটি অধ্যায় পড়ার সময় কমপক্ষে দুইবার মনোযোগ দিয়ে রিডিং পড়ে নেয় তাহলে বিষয়বস্তু বোঝতে সুবিধা হবে। আর শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলব, তারা যেন বিষয়বস্তু মুখস্থ না করে বাস্তব বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বিজ্ঞানের বিষয়গুলো বোঝানোর চেষ্টা করেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, জীব ও আমাদের পরিবেশ অধ্যায় থেকে যদি প্রশ্ন করা হয় তোমার দেখা একটি খাদ্য-শৃঙ্খল উল্লেখ কর। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থী যদি খাদ্য শৃঙ্খল সম্পর্কে ধারণা রাখে তাহলে সে তার চারপাশের অসংখ্য শৃঙ্খল থেকে যেকোনো একটি উদাহরণ সহজেই দিতে পারবে। আর খাদ্য-শৃঙ্খল সম্পর্কে ধারণা না থাকলে তাকে বইয়ে দেয়া উদাহরণটিই মুখস্থ করে লিখতে হবে এবং কোনো কারণে সেটি ভুলে গেলে আর উত্তর করা সম্ভব হবে না। তাই বিষয়বস্তু বোঝা বা আয়ত্ত করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই ভালো ফল করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। তোমরা ভালোভাবে পরীক্ষা দাও এ কামনা রইল।
