ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ জেলায় পিঁয়াজের দাম কমতে কমতে তলানীতে ঠেকেছে। প্রতি মণ পিঁয়াজ পাইকারি সাড়ে ৩’শ টাকা থেকে ৪’শ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাত্ প্রতি কেজি মাত্র সোয়া ৮ টাকা থেকে ১০ টাকা। এতে চাষির মাথায় হাত।
ঝিনাইদহ জেলা দেশের অন্যতম পিঁয়াজ উত্পাদনকারী এলাকা। বিশেষ করে শৈলকুপা উপজেলায় পিঁয়াজের উত্পাদন বেশি হয়। গত মৌসুমে এ উপজেলায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে পিঁয়াজ চাষ হয়। শনি ও মঙ্গলবার হাটের দিন প্রচুর পিঁয়াজ ওঠে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা এসে পিঁয়াজ কিনে ট্রাকযোগে বিভিন্ন স্থানে চালান নিয়ে যায়। মৌসুমে প্রতি হাটের দিন ২০ থেকে ৩০ ট্রাক পিঁয়াজ চালান যায়। গত মৌসুমে মার্চ মাসে নতুন পিঁয়াজ উঠার পর প্রতি মণের দাম ছিল এক হাজার টাকা থেকে ১১ ’শ টাকা। মাঝে দাম চড়ে ১৭’শ / ১৮’শ টাকা উঠেছিল। কয়েক দিন পরেই দাম কমতে থাকে। ইতোমধ্যে নতুন মুড়িকাটি পিঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। এরপর দাম দ্রুত কমে এখন তলানীতে ঠেকেছে।
গতকাল শনিবার শৈলকুপা হাটে পুরান পিঁয়াজ প্রতি মণ পাইকারি ৪’শ টাকা দরে এবং নতুন মুড়িকাটি পিঁয়াজ সাড়ে ৩’শ টাকা দরে বিক্রি হয়। তারা জানান, নতুন চাষ মৌসুম শুরু হয়েছে। চড়াদামে এবার তাদের পিঁয়াজ বীজ কিনতে হয়েছে। এক কেজি বীজ সাড়ে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দরে কিনতে হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলার নাদপাড়া গ্রামের এক চাষি জানান, গতকাল শনিবার তিনি ৪’শ টাকা মণ দরে ৭ মণ ভালো পিঁয়াজ বিক্রি করেছেন। তার উত্পাদন খরচ উঠবে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পিঁয়াজের ব্যাপক দর পতনের কথা স্বীকার করে বলেন, দামের ব্যাপারে তাদের করণীয় কিছু নেই।
