বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, শিক্ষাবিদ ড. অনুপম সেন বলেছেন, অনেক কৃষিজমি নষ্ট হওয়ার পরও কৃষিপণ্য উত্পাদনে বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। সবজি, মিঠাপানির মাছ উত্পাদনে বাংলাদেশ মাইলফলক অর্জন করেছে। বাংলাদেশকে উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশে পরিণত করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। গতকাল শুক্রবার বিকালে মহানগরীর আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কক্ষে ‘শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের এক দশক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে তিনি উপরের কথাগুলো বলেন।
অনুপম সেন বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে বিদ্যুতের সংকট প্রকট ছিল। বিদ্যুতের অভাবে অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যার পর লোডশেডিং ছিল প্রতিদিনের ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব নিয়ে সাহসী উদ্যোগ নিলেন কুইক রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের। তখন অনেকে সংশয় প্রকাশ করলেও প্রধানমন্ত্রী ভয় পান নি। ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ ভাড়া নিলেন। এই উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের আরএমজি সেক্টর বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুছ ছাত্তার।
তিনি বলেন, দেশে পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্ণফুলী টানেলের মতো মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ১০০ বছরের বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিরসরাই ও আনোয়ারায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে হবে দেড় হাজার বৃহত্ কারখানা। যাতে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বে-টার্মিনাল তৈরি হচ্ছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে। মাতারবাড়ীতে হচ্ছে এলএনজি টার্মিনাল। আগামী জুনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইন রেলপথ চালু হবে। কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সমপ্রসারণ করছে সরকার।
