তানোর (রাজশাহী) সংবাদদাতা
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পর রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বড় দুই জোটের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে। এরা হলেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক। আসনটি হারাতে চায় না আওয়ামী লীগ আর বিএনপি পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত রয়েছে।
রাজশাহী-১ আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের। এজন্য নিজেদের অবস্থান অপরিবর্তিত রাখতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। শিল্প মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাজশাহী-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। মহাজোটের এই প্রার্থী নৌকা প্রতীক পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য নৌকায় ভোট চাইতে শুরু করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন বিএনপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আমিনুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মান্নান হাতপাখা প্রতীক এবং গণতান্ত্রিক বাম জোটের বাসদ মনোনীত প্রার্থী আলফাজ হোসেন যুবরাজ মই প্রতীক নিয়ে স্বল্প পরিসরে কয়েকটি স্থানে গণসংযোগ করেছেন।
তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এই আসনে উন্নয়নের রূপকার ওমর ফারুক চৌধুরী। এই আসনে আরও উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে জনগণ আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবেন তাতে কোনো সন্দেহ নাই।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, তানোর-গোদাগাড়ীতে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ব্যারিস্টার আমিনুল হকের হাতেই। জনগণ এখনও ভুলে যায়নি রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এই আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করবে তাতে কোনো সন্দেহ নাই।
