দাবি মঞ্জুর
প্রথম বন্ধু :জানিস, যুক্তরাষ্ট্রে এক আসামি নিজেকে মৃত দাবি করছে!
দ্বিতীয় বন্ধু :দাবি কী মঞ্জুর হয়েছে?
প্রথম বন্ধু :কী বলিস এসব!
দ্বিতীয় বন্ধু :ওদের দেশের ব্যাপারটা ঠিক বলতে পারব না রে। তবে আমাদের দেশে হলে দলের নেতা অনুমোদন দিলেই দাবি মঞ্জুর হয়ে যেত।
এই বিদ্যুত্, সেই বিদ্যুত্
প্রেমিক :জানো, বিদ্যুতের দাম আবার বাড়বে।
প্রেমিকা :বিদ্যুত্ দেখতে যা হ্যান্ডসাম। তার উপর পেঁয়াজের আড়তদার বাবার একমাত্র ছেলে। ওর দাম বাড়বে না তো তোমার দাম বাড়বে?
সবাই যে ওইদিনই দাওয়াত দেয়
ভিক্ষুক :আম্মা ভিক্ষা দেন।
গৃহকর্ত্রী :ভিক্ষা নাই, যাও। শুক্রবার আসতে পারো না?
ভিক্ষুক :কেমনে পারি আম্মা, আপনিই কন? সবাই তো ওইদিনই দাওয়াত দেয়।
ওখানে যে কেউ দাবি করতে পারে
প্রথম বন্ধু :শুনেছিস, যুক্তরাষ্ট্রে এক আসামি নিজেকে মৃত দাবি করেছে। অবাক কাণ্ড না?
দ্বিতীয় বন্ধু :এতে অবাক হবার কী আছে? যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তি স্বাধীনতার দেশ। ওখানে যে কেউ দাবি করতে পারে।
বেকুব যে কে?
প্রথম কয়েদি :কাঁদছিস কেন? আর কয়দিন পরই তো খালাস হয়ে যাবি। তোর তো এখন ফুর্তি করা উচিত।
দ্বিতীয় কয়েদি :এ কথা তো বলবেই। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছ, তোমার আনন্দ দেখে কে?
প্রথম কয়েদি :আরে বেকুব, কয় কী? আমি আনন্দে থাকুম মানে?
দ্বিতীয় কয়েদি :তুমি তো সারা জীবন আরাম-আয়াসে বসে বসে জেলের ভাত খাবে আর এদিকে যে আমাকে পেটের দায়ে খাটতে বের হতে হবে রোজ, সেই খেয়াল আছে? বেকুব যে কে?
ওস্তাদি টিপস
ওস্তাদজি :গান গাওয়ার সময় দু চোখ বন্ধ করে ফেলিস কেন?
গানের ছাত্র :আবেগে, ওস্তাদজি।
ওস্তাদজি :আবেগ যতই আসুক, দু চোখ পুরোপুরি বন্ধ করে ফেলবি না।
গানের ছাত্র :তাহলে কী করব?
ওস্তাদজি :মাঝে মাঝে চোখ মেলে দেখবি, শ্রোতা আছে কি নেই?
গানের ছাত্র :কেন, ওস্তাদজি?
ওস্তাদজি :কেন আবার? শ্রোতা কেটে পড়লে পুরো গান গাওয়ার কী দরকার?
উদ্দেশ্য কী?
এক লোক তার পোষা কাকাতুয়া বিক্রি করতে এসেছে হাটে।
বিক্রেতা :কে কিনবেন, কে কিনবেন? এ এক আশ্চর্য কাকাতুয়া পাখি। এর ডান পা টানলে গাইবে নজরুলগীতি, বাম পা টানলে গাইবে রবীন্দ্রসংগীত, আর লেজ টানলে গাইবে আধুনিক গান।
উত্সুক ক্রেতা :আচ্ছা যদি দুই পা একসাথে ধরে টানি?
কাকাতুয়া :ইতর, বজ্জাত, লম্পট, গান শুনতে চাস নাকি টানাটানি করতে? দূর হ এখান থেকে।
আত্মমর্যাদা কী?
ছেলে :আত্মমর্যাদা কী বাবা?
বাবা :আত্মমর্যাদা হলো মহত্ গুণ।
ছেলে :তোমার আছে?
বাবা :আগে ছিল, এখন নেই।
ছেলে :এখন নেই কেন বাবা?
বাবা :বিয়ের পর পুরুষের আর এই গুণ থাকে না, বাবা।
আকাশ ছোঁয়ার সুযোগ
স্বামী :প্রতিটা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম দিন দিন আকাশ ছুঁয়ে চলেছে।
স্ত্রী :তাও তো আমাকে একটা ধন্যবাদ দাও না।
স্বামী :ধন্যবাদ দেব? কীসের জন্য?
স্ত্রী :রোজ তোমাকে আকাশ ছোঁয়ার সুযোগ করে দিই কি না বলো?
আমার মামা সব জানে
ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, বিদ্যুতের দাম এত তাড়াতাড়ি বাড়ে কেন?
মামা :বিদ্যুতের দাম বিদ্যুত্ বেগেই বাড়ে।
মাত্র একবার
স্বামী :কী ব্যাপার, আমি থাকি সারাদিন অফিসে আর তুমি থাকো রান্না নিয়ে। ঘরে মাত্র দুজন লোক। বিদ্যুত্ বিল এত আসে কী করে?
স্ত্রী :আমিও তো বুঝতে পারছি না। বিল যাতে বেশি না ওঠে সেজন্য সারাদিনে মাত্র একবার সুইচে চাপ দেই। তারপরেও এত বিল আসে কী করে?
তোমার কর্তব্য আছে, আমার নেই?
স্ত্রী :আমি যদি হঠাত্ করে মারা যাই, তুমি কি আরেকটা বিয়ে করবে?
স্বামী :আরে না, আমার একটা কর্তব্য আছে না? তোমার ছোট বোনটাকে দেখে রাখবে কে শুনি? আচ্ছা, আমি যদি হঠাত্ করে মারা যাই, তুমি আরেকটা বিয়ে করবে?
স্ত্রী :কী করে আমাকে এত ছোট মনের মানুষ ভাবলে? তোমার কর্তব্য আছে, আর আমার নেই? তোমার ছোট ভাইটাকে দেখে রাখার দায়িত্ব আমি ছাড়া আর কে পালন করবে শুনি?
বাংলাদেশি স্টাইল
প্রথম বন্ধু :ইস, ইন্ডিয়ার সাথে এই সিরিজটা আমরা জিততে পারতাম। প্রতিবার খেলা জেতার দ্বারপ্রান্তে গিয়ে আমরা ফিরে আসি। এটা কোনো খেলার স্টাইল হলো?
দ্বিতীয় বন্ধু :হবে না, কেন? এটাই তো বাংলাদেশি স্টাইল।
যার যেমন ইচ্ছে
স্ত্রী :ইচ্ছে করে, সব ভেঙেচুরে বাপের বাড়ি চলে যাই।
স্বামী :ভাংচুর করতে হবে কেন? সব নিয়েই চলো না!
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
প্রথম বন্ধু :জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত জুরিবোর্ড ছবির প্রধান চরিত্র মোশাররফ করিমকে ‘শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা’ পুরস্কার দিতে চাইছেন, এটা কী হলো?
দ্বিতীয় বন্ধু :কেন, কৌতুক।
