উড়ো চিঠি

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২০:৫৮

প্রিয় ঠাট্টা,

তুমি নামে ঠাট্টা হলেও তোমাকে নিয়ে ঠাট্টা করার ক’জন আছে বলো? সম্ভবত কারো সাহসও নেই। সাহস করবে কেমনে বলো, কারো এতটুকু মন খারাপ হলে মুখে হাসি ফোটায় কে? তুমি। হ্যাঁ, তুমি।

তবে তোমার প্রতি অনেকের সুপ্ত অভিমানের ঝলকানি রয়েছে। কখনো কখনো অভিমানের খাতা খুবই ভারী হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে তোমাকে ঘিরে। নতুন যারা কলম ধরে তাদেরকে কেন তুমি তোমার বুকে ঠাঁই দাও না? তোমার বুকে ঠাঁই পাওয়া প্রবীন গুণিজনের কথায় এবং উত্সাহে নবীন কিন্তু হাল ছাড়ে না। আশায় বুক বাঁধে তোমার বুকে ঠাঁই পেতে। আমি নবীন তোমার বুকে ঠাঁই না পেলেও আনন্দিত। কেন জানো?

শোনো, প্রথম যেদিন তোমার বরাবর লিখলাম সেদিন (৫ নভেম্বর ২০১৯) আমি তো হতবাক!  শোনো, তোমার যিনি দেখাশোনা করেন তিনি আমাকে খুদে বার্তায় ধন্যবাদ দিলেন। একজন ক্ষুদ্র নবীনের কাছে এর থেকে বড়ো প্রাপ্তি আর কী হতে পারে, আমার জানা নাই।

আমি আপ্লুত! আমি আনন্দিত! লাখো পাঠকের মনে হাসি বা আনন্দের যে মুর্হূত তুমি সঞ্চার করো তা অব্যাহত থাকুক যুগ থেকে শতাব্দী। অন্তঃকরণের আকুতি—প্রবীণ, নবীন, মাঝবয়েসী—সব মানুষের মুখে তুমি থাকো মুখরিত। ভুলো না আমায়। যদি পারো খবর নিও। তোমার বুকে ঠাঁই না দিলেও, অন্তত তোমায়, নীরবে ভালোবাসতে দিয়ো।

ইতি,

দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু

মালিবাগ, ঢাকা

বি.স. : ঠাট্টার প্রতিটি সংখ্যাতেই নতুনদের আনাগোনা থাকে এবং তার হার কোনো অংশেই পুরোনোদের থেকে কম নয়। আর ঠাট্টার মেইল থেকে যেই ফিরতি বার্তাটি যা যায়, ওটা ‘অটো রিপ্ল্যাই’। তবে হ্যাঁ, সময়মতো সকল মেইলই দেখা হয়।

 

ঘো ষ ণা

 

প্রিয় পাঠক, আপনাদের জন্য ঠাট্টার ‘নতুন বোতলে পুরোনো মদ’-এর আয়োজন ‘উড়োচিঠি’! ইমেইল-মেসেঞ্জারের যুগে এখন আর কেউ খামে ভরা চিঠি লিখতে চান না। আপনারা এখন চিঠি পাঠাবেন মেইলে। ঠাট্টা নিয়ে আপনাদের আশা-ভরসা, গোস্বা-ভালোবাসা ইত্যাদি লিখে পাঠান। উড়োচিঠি বিভাগে আপনাদের পাঠানো চিঠিটা অবশ্য উড়ো (বেনামি) হলে চলবে না। লেখার সঙ্গে নাম-ঠিকানা থাকতে হবে। আর মেইলের সাবজেক্টের ঘরে অবশ্যই ‘উড়ো চিঠি’ কথাটি উল্লেখ করতে হবে।