নাগালে শীতকালীন সবজি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
শীত মৌসুম যেন ভোক্তাদের জন্য সুখবর হয়ে এসেছে। একদিকে যেমন সবজির দাম কম তেমনি কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজও। অথচ চলতি বছরের শুরুর দিকে পেঁয়াজের ঝাঁজে ক্রেতাদের নাকাল হওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। ১৩০ টাকা কেজির পেঁয়াজ এখন বছর শেষে নেমে এসেছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। তবে চলতি সপ্তাহে ডিমের দাম আবার বেড়েছে। রাজধানীর কাওরান বাজার, শান্তিনগর বাজার ও তুরাগ এলাকার নতুনবাজারসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামের এ চিত্র পাওয়া যায়।
গতকাল রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৩৪ টাকায়; কিন্তু গত সপ্তাহে তা ছিল ২৮ থেকে ৩২ টাকার মধ্যে। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর বাজারদরের প্রতিবেদনেও ডিমের দাম বাড়ার কথা বলা হয়েছে। তুরাগ এলাকার নতুনবাজারের ডিম বিক্রেতা সাদ্দাম বলেন, সরবরাহ কম থাকায় এক মাস আগে ডিমের দাম অনেক বেড়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে; কিন্তু গত দুইদিন আবার ডিমের দাম বাড়তি।
এদিকে ডিমের দাম বাড়লেও কমতির দিকে রয়েছে পেঁয়াজের দাম। চলতি বছরের শুরুতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১৩০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। এরমধ্যে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। আর আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।
কাওরান বাজারের পাইকারী পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া ভারতেও পেঁয়াজের দাম কমেছে। এর প্রভাবে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। কমেছে রসুনের দামও। প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
এই শীত মৌসুমে স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালের মধ্যে রয়েছে সবজির দাম। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি সিম ২০ থেকে ৩০ টাকা, পটল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৩০ টাকায়, পেঁপে ১০ থেকে ২২ টাকায়, বরবটি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৭০ টাকা, নতুন আলু ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি আকারভেদে ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।
