আমন মৌসুমে বিনা-১৬ উত্পাদনে নতুন রেকর্ড

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৪২

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত নতুন জাতের স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন বিনা-১৬ আমন মৌসুমে উত্পাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

প্রতি হেক্টরে এ জাতের ধান ৭.২২ মেট্রিক টন ফলেছে বলে কাশিয়ানী উপজেলার পশ্চিম মাঝিগাতি গ্রামের কৃষক হুমায়ূন খন্দকারের জমিতে উত্পাদিত বিনা-১৬ কেটে পরিমাপ করে এ তথ্য জানানো হয়।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পশ্চিম মাঝিগাতি গ্রামের কৃষক হুমায়ূন খোন্দকার বলেন, এ বছর বিনা-১৬ জাতের ধান আবাদ করেছি। প্রচলিত আমনের তুলনায় এ ধান রেকর্ড পরিমাণ ফলন দিয়েছে। এ ধানের আবাদের পর সরিষা, কলাই বা মসুরের আবাদ করা যায়। আগে আমরা বছরে দুটি ফসল পেতাম। কিন্তু এ ধানের বদৌলতে এখন একই জমিতে বছরে তিন ফসল ফলিয়ে ফসলের উত্পাদন বাড়াতে পারছি।

গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শেফাউর রহমান বলেন, লাভজনক শস্য বিন্যাস উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতায় গোপালগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ও কৃষি সম্প্রসারণের সহযোগিতায় গোপালগঞ্জে বিনা-১৬ আবাদ করে কৃষক আমন মৌসুমে সব রেকর্ড ভঙ্গ করে হেক্টরে সর্বোচ্চ ৭.২২ টন ধান উত্পাদন করেছে। এটি দেশের সর্বোচ্চ ফলন।

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পীযূষ রায় বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের খাদ্যের যোগান দিতে অল্প জমিতে অধিক ফসল উত্পাদনের কোনো বিকল্প নেই। স্বল্প সময়ে বিনা-১৬ অধিক ফলন দিয়ে সে কাজটিকে সহজ করে দিচ্ছে।