নির্মাণেই তার আগ্রহ

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:৪৯

লো পা  চৌ ধু রী

 

রাজিব সালেহীন, এই প্রজন্মের একজন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা, নির্মাতা। তবে দর্শক তাকে অভিনেতা হিসাবেই বেশি চেনেন, জানেন। অথচ এই রাজিবের মিডিয়াতে পথচলাটা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে একজন নির্মাতা হিসাবে। সেই সময়ে ‘ঠিক বাড়ি নয় বাড়ির মতো’ তথ্যচিত্র নির্মাণের মধ্যদিয়ে একজন নির্মাতা হিসাবে তার যাত্রা শুরু হয়। একসময় অভিনয়ও শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসাবে গোলাম সোহরাব দোদুলের ‘সাতকাহন’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অভিয়ের মধ্যদিয়ে আলোচনায় আসেন। তৌকীর আহমেদের নির্দেশনায় ‘বিহঙ্গ কথা’, ‘অসম’ নাটকসহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অনবদ্য অভিনয় করে প্রশংসিত হন রাজিব সালেহীন। তবে তার সবসময়ই আগ্রহ প্রবল নির্মাণের দিকে। যে কারণে অভিনয়ের চেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ তার নির্মাণে। নির্মাতা হিসাবে শুরুর দিকে রাজিব বেশ কয়েকটি টিভি শোর নির্মাণ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। নাটক নির্মাণের পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞাপনও নির্মাণ করেছেন বেশ কয়েকটি। তার নির্মিত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’, ‘কেউ কথা বলে না’। রাজিব বর্তমানে দুটি ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। বিটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক বদরুল আনাম সৌদ পরিচালিত ‘লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প’ ও দীপ্ত টিভিতে প্রচার চলতি গোলাম সোহরাব দোদুল পরিচালিত ‘ভালোবাসার আলো-আঁধার’ নাটকে অভিনয় করছেন। রাজিব সালেহীন বলেন, ‘আমার সবসময়ই অভিনয়ের চেয়ে নির্মাণে আগ্রহ ছিল বেশি। আর এখন একটু অভিনয়ে কম সময় দিচ্ছি। কারণ সামনে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে নির্মাণ করব। সেটার পরিকল্পনা নিয়েই ব্যস্ত আছি আপাতত। কারণ নির্মাণ কাজটা সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে করতে চাই। নির্মাণে আমার ক্ষুধা বেশি। তবে অভিনয়টা বেশ উপভোগ করি। দর্শকের কাছ থেকে সাড়া পেলে আরো বেশি ভালো লাগে।’ রাজিব সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে তিনি শেষ করেছেন তানভীর মোকাম্মেলের নির্দেশনায় ‘রূপসা নদীর বাঁকে’ সিনেমার কাজ। এছাড়াও এর আগে তিনি একই পরিচালকের ‘জীবন ঢুলী’ ও প্রসূণ রহমানের ‘সূতপার ঠিকানা’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী শর্মীমালা রাজিবের সহধর্মিণী। তাদের একমাত্র সন্তানের নাম সাদাফ সালেহীন ঋত। রাজিব সালেহীন অভিনয় শিল্পী সংঘের কার্যনির্বাহী সদস্য।