২ ০১৮ সালের ১৭ জুলাই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মি কমিউনিটি যাত্রা শুরু করে। মাত্র ১৫ মাসের মধ্যেই ১ লাখেরও বেশি ফ্যান মি কমিউনিটির সদস্য হয়েছে। যেখানে অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, পোস্টের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা আদান-প্রদান হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশের শাওমির কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মি ফ্যান ক্লাব রয়েছে। এছাড়াও এ বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশের কয়েকটি বড়ো শহরের মধ্যে মি ফ্যান ক্লাব করার পরিকল্পনা করেছি আমরা।
জিয়া উদ্দিন বলেন, শাওমি মি ফ্যান ক্লাব শুধু ফ্যানদের প্রযুক্তি সম্পর্কে তথ্য আদান-প্রদানের একটি প্ল্যাটফরমই নয়, এখান থেকে যোগ্যতাসম্পন্ন ফ্যানরা পেয়ে থাকে সরাসরি শাওমির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ। এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে শাওমি বাংলাদেশের কমিউনিটি ম্যানেজার এম এন নাহিদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
গ্রাহকদের দোরগোড়ায় বিক্রয়-উত্তর সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশে প্রায় ২০০টি মি সেন্টার রয়েছে। এ বিষয়ে শাওমির কান্ট্রি ম্যানেজার বলেন, আমাদের মি গ্রাহকদের কোনো পণ্য সমস্যা দেখে দিলে আমরা ৮০ শতাংশ গ্রাহককেই চার ঘণ্টার মধ্যে সেবা দিয়ে থাকি। আমরা সব বড়ো বড়ো উপজেলা ও জেলা শহরগুলোতে মি সেন্টার করার পরিকল্পনা করেছি।
সেরা সব উদ্ভাবনীর কারণে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড শাওমির আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান বিষয়ে জিয়া উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শাওমি করপোরেশন এবং ২০১৫ সালের ৯ জুলাই (১৮১০.এইচকে) হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান বোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়। সাশ্রয়ী মূল্যে চমত্কার সব পণ্য তৈরির জন্য এ ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। শাওমি বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম স্মার্টফোনের ব্র্যান্ড। বর্তমানে শাওমির পণ্য বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে ও অঞ্চলে ব্যবহূত হচ্ছে এবং অনেক বাজারে এটি শীর্ষ স্থানে রয়েছে। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় জায়গা করে নেয়। ইন্টারনেট সার্ভিসেস অ্যান্ড রিটেইলিং ক্যাটাগরিতে ৭ম স্থান অর্জন করে।
তিনি আরো বলেন, শাওমি কোম্পানি হওয়ার জন্য নয়, গ্রাহকদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং তাদের হূদয়ে ভালোবাসার কোম্পানি হওয়ার জন্য ক্রমাগত উদ্ভাবন নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যা গুণমান এবং দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
—জামাল উদ্দীন
