বিজয় দিবসের দিনে দেশের সাবেক ফুটবলাররা প্রীতি ম্যাচে অংশ নেন। এই একটা দিনে খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্য রকম একটা মিলন মেলা ঘটে। অনেকেই আসেন না। দূর হতে ফুটবলের বিষোদগার করেন। কিন্তু বিজয় দিবসের দিনেও তাদের পা পড়ে না ফুটবলের মিলন মেলার মঞ্চে। তাতে কি যারা আসেন তারা ধরে নেন নিজেকে সংকুচিত রাখবো কেন। দেশের জন্য ফুটবল খেলেছি। দেশের বিজয় দিবসের দিনেও মাঠে নামতে পারব। সবার সঙ্গে সৌহার্দ্য বাড়বে। সম্প্রীতির জায়গাটাও আরো বিস্তৃতি লাভ করবে। সাবেক ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিক বিজয় দিবসের প্রীতি ম্যাচটাকে অন্যভাবে দেখছেন। বাফুফের টার্ফে খেলা শুরু হওয়ার আগে সংবাদ মাধ্যমকে মানিক বলছিলেন, বিজয়ের মাসে আমরা এক হয়ে মাঠে নামছি। বিজয় দিবসের মাধ্যমে দেশের ফুটবলকে এগিয়ে যাওয়ারও একটা নতুন শপথ সৃষ্টি হয়। একটা শিহরণ তৈরি হয়। তরুণরা উত্সাহ পায়। আমরা প্রীতি ম্যাচ খেলব। তরুণদের উত্সাহ দিতে হবে। একদিন তারাও সাবেক ফুটবলার হবেন।’
জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ বলছিলেন, যখন দেখি জাতীয় ফুটবল দল পারছে না তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় আমি মাঠে নেমে যাই। মন মানতে চায় না। কিন্তু কি করব বয়সের কারণে পারি না।’
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বিজয় দিবসের প্রীতি ম্যাচে খেলোয়াড়দের উত্সাহ দিতে এসেছিলেন। খেলার আগে সবার সঙ্গে পরিচিত হওয়া, খেলা দেখা এবং শেষ পুরস্কারও বিতরণ করেছেন স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের এই খেলোয়াড়। লাল ও সবুজ দল ভাগ হয়ে খেলেছে। সবুজ দল ৩-২ গোলে লাল দলকে হারিয়েছে।
