অ্যাকর্ড বিষয়ে ব্র্যান্ডদের কাজে লাগাতে চাইছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনগুলো

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৪৬

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলাদেশে ইউরোপের ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কারখানা পরিদর্শন জোট অ্যাকর্ডের কার্যক্রম সরকার চলতে দিতে চায় না এবং এতে শ্রমিকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঝুঁকিতে পড়বে বলে মনে করে আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার জোট ও সংগঠনগুলো। এ পরিস্থিতিতে অ্যাকর্ডের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া থেকে বিরত রাখতে ব্র্যান্ডগুলো যাতে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়, সে আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ওই জোটের এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। এ তালিকায় রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়ন, ইউনি গ্লোবাল, ক্লিন ক্লথস ক্যাম্পেইন, ইন্টারন্যাশনাল লেবার রাইট্স ফোরাম, ম্যাকিলা সলিডারিটি নেটওয়ার্ক ও ওয়ার্কার রাইট্স কনসোর্টিয়াম।

উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রমের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে অ্যাকর্ডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আপিল হওয়ায় তা নিয়ে শুনানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুই দফা শুনানি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার তৃতীয় দফা শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর ২০১৩ সালে  দেশের গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা ও সংস্কার কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে গঠিত হয় অ্যাকর্ড। পরীক্ষায় অ্যাকর্ডভুক্ত প্রায় দুই হাজার কারখানা ভবনের কাঠামো, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রায় এক লাখ ত্রুটি চিহ্নিত করে। ইতোমধ্যে ওইসব ত্রুটির ৯০ শতাংশের  বেশি সংশোধন হয়েছে। আরো কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে অ্যাকর্ডের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে এ কার্যক্রম চলমান রাখার দায়িত্ব সরকার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। এ লক্ষ্যে সংস্কার সমন্বয় সেল বা আরসিসি নামে একটি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এতে আস্থা আনতে পারছে না অ্যাকর্ড। এ নিয়ে উভয় পক্ষে টানাপড়েন চলছে।