১৯৬ দেশের শিক্ষার্থী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৪২

  ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

 

দোনেস্ক ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি (ডিএনএমইউ)। প্রতি বছর ১৯৬টি দেশের শিক্ষার্থী পড়তে আসে এখানে। আর তাদের সুবিধার জন্য রয়েছে ৫২টি একাডেমিক ভবন, ৫৭টি কম্পিউটার ল্যাব, ১৬টি আবাসিক হোস্টেল, ২৮টি হাসপাতাল, সাতটি স্টেডিয়াম এবং ২২টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র। ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৭টি  বিভাগ রয়েছে। ১০০ বছরের পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়টি। ডিএনএমইউ তে বৈজ্ঞানিক গবেষণা কাজের জন্য প্রায় ২২টি ক্লিনিক রয়েছে যা ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম ও সেরা বিশ্ববিদ্যালয়টি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মেডিক্যাল কাউন্সিল,  নিউ ইয়র্ক মেডিক্যাল কাউন্সিল, কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টার, ফ্রান্স মেডিক্যাল কাউন্সিলের যৌথ গবেষণা অংশীদার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাংকিং  অনুযায়ী এটি বিশ্বে সর্ববৃহত্ ও পুরাতন মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। বিভিন্ন  দেশের ৪ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী রয়েছে এখানে।

ডিএনএমইউ হলো ইউরোপের সেরা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউএন, WHO, ইউনেস্কোর রিপোর্ট অনুসারে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ র্যাংকিংয়ে  ডিএনএমইউ ২০০১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত  ইউক্রেনের সেরা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় যা ইউক্রেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্বীকৃত।

বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে হওয়ায় কমন ইউরোপীয় শিক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এক বছর অধ্যয়নের পর শিক্ষার্থীরা আমেরিকা, কানাডা ও পশ্চিম ইউরোপের যে কোনো মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে পারে।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বাংলাদেশিদেরও সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৯ থাকতে হবে। তবে জীববিজ্ঞানে জিপিএ কমপক্ষে ৩.৫ থাকতে হবে। পড়াশোনার মাধ্যম ইংরেজি হলেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আইএলটিএস-এর প্রয়োজন নেই। এর আগে পড়াশুনাকালে গ্রীষ্মের ছুটিতে ইউরোপের যেকোনো দেশে গিয়ে ৩ মাস কাজ করতে পারবে। আগামী জানুয়ারি সেশনের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সার্কভুক্ত দেশসমূহের শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে ডিএনএমইউ দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করেছে।