চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। আংশিক শুনানি শেষে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা মুলতবি করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ সময়ের মধ্যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থার মেডিক্যাল রিপোর্ট দাখিল করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ভিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়।
এদিকে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। মাজার গেট দিয়ে সাধারণ বিচারপ্রার্থীদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন আদালতে বলেন, এসেছি মামলা করতে কিন্তু কোর্টের বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের তল্লাশি দেখে তো আমাদের কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে! মনে হচ্ছে কোনো জঙ্গি বা মৃত্যুদণ্ডের আসামির বিচার হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আগের দিন কোর্টের প্রধান ফটকের বাইরে গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। মিছিল হয়েছে কোর্ট প্রাঙ্গণে। সেটাও আমাদের দেখতে হয়েছে।
জয়নুল আবেদীন বলেন, খালেদা জিয়া বয়স্ক একজন নারী। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন। মানবিক কারণে জামিন চাই। এ সময় আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।
