অভিনেতা, উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। ‘সেন্স অব হিউমার’সহ নানা অনুষ্ঠানের কারণে তিনি শোবিজে অঙ্গনে বেশ আলোচিত। তিনি মুখোমুখি হয়েছেন বিনোদন প্রতিদিনের—
উপস্থাপনার পাশাপাশি কী নিয়ে ব্যস্ত আপনি?
অভিনয়, পরিচালনা ও উপস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই আমি ব্যস্ত। অভিনয়টাকে আরো বাড়াবো। আমার ইউটিউব চ্যানেল আছে, সেটাতেও সময় দিচ্ছি। এখন নিজের প্রতিভা দেখানোর জায়গার অভাব নেই। কে আমাকে নিলো বা না নিলো সেটার জন্য বসে থাকতে হয় না।
আপনার টিভি শোগুলো বেশ আলোচিত। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
আমি টিভি নাটকে অভিনয় করেছি, সেখানে সফল। প্রথম চলচ্চিত্র পরিচালনা করেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি, সেখানেও সফল। উপস্থাপনায়ও নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে সফল হয়েছি।
কিন্তু অনেকেই বলেন আপনি অনুষ্ঠান জনপ্রিয় করতে আপত্তিকর প্রশ্ন করে থাকেন...
মিডিয়া একটা খোলামেলা আলোচনার জায়গা। না জানা কথাগুলোই আমি জিজ্ঞেস করছি। কে কি মনে করলো সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। কিন্তু দর্শকদের নতুন কিছু দেখাতে পারছি বলেই আমার অনুষ্ঠান জনপ্রিয়।
প্রশ্নগুলো আগে থেকেই প্রস্তুত করে থাকেন?
না, আমি কোনো প্রশ্নই আগে থেকে প্রস্তুত করি না। তাত্ক্ষণিক প্রশ্নগুলো করে থাকি।
তীর্যক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে জেনেও শিল্পীরা আপনার অনুষ্ঠানে অতিথি হতে কতটা আগ্রহী থাকেন?
অনেকেই চান না তাদের নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হোক। কিন্তু আবার অনেকে আলোচনায় আসতে আমার অনুষ্ঠানে আসেন। আমার অনুষ্ঠানে এসে শুধু আপত্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, এটা ভুল। অনেকের সম্পর্কে দর্শকদের ভুল ভেঙেছে আমার অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। যেমন মুনমুন। তার সম্পর্কে মানুষ আগে কী জানতো আর এখন কী জানেন। সামগ্রিক বিষয়গুলো নিয়েই আমার অনুষ্ঠান।
কিন্তু আপনার অনুষ্ঠানে এসে তো অনেকেই ক্ষেপে যান। সেসময়ে আপনি কী করেন?
এটা সাময়িক। তাছাড়া কেউই এত বেশি ক্ষেপে যায়নি! মিডিয়ার সবার সাথেই আমার ভালো সম্পর্ক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেফুদা’র ডায়লগ ‘কী হিংসে হয়’, এই শিরোনামের একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন আপনি। কিন্তু নাটকের গল্প একদম আলাদা। হিট হতেই কী এমন নাম?
আমি আসলে কোনোকিছু চিন্তা করে এই নাম দিইনি। হুট করে মাথায় এসেছে, তাই এই নাম দিয়েছি!
g সাক্ষাত্কার: নুরুল করিম
