৯৬ রানে ছয় উইকেট দিয়ে দিন শুরু করেছিল পাকিস্তান। বোঝাই যাচ্ছিল, তৃতীয় দিন সকালে বড়োজোর ১ ঘণ্টা কিংবা সর্বোচ্চ একটা সেশন টিকতে পারবে সফরকারীরা। কিন্তু, শেষ অবধি পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস থামে ৩০২ রানে গিয়ে।
সপ্তম উইকেট জুটিতে ১০৫ রান যোগ করেন বাবর আজম ও ইয়াসির শাহ। এর মধ্যে সেঞ্চুরি থেকে ৩ রান দূরে থাকতে থেমে গেছেন বাবর। অন্যদিকে, টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন পাকিস্তানের ইয়াসির শাহ। মূলত লেগ স্পিনার হিসেবে পরিচিত ৩৩ বছর বয়সি শাহর ৩৬ টেস্ট ক্যারিয়ারে এর আগে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৪২ রান।
বাবর আজম আউট হয়ে যাওয়ার পরও ইয়াসিরের লড়াই অব্যাহত থাকে। ইয়াসির শেষ পর্যন্ত ১৯২ বল মোকাবিলায় ১২টি বাউন্ডারির সাহায্যে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন। শেষ অবধি ২১৩ বল খেলে ১৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১৩ রান করে পেসার প্যাট কামিন্সের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি।
যদিও এই ইনিংস খেলার পথে দুই বার জীবন পেয়েছেন তিনি। মার্নাস লাবুশেনের বলে স্টিভ স্মিথ ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হলে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে প্রথম জীবন পান তিনি। এরপর ৪৩ রানের মাথায় নিজের বলেই ইয়াসিরের ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন লাবুশেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের অন্যতম সেরা একটা দিন কাটালেন ইয়াসির।
নবম উইকেট জুটিতে ইয়াসির শাহ মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে মিলে যোগ করেন ৮৭ রান। আর এই জুটিতেই ৩০০র ওপরে নিজেদের রানটা নিয়ে যেতে পারে পাকিস্তান। আব্বাস করেন ২৯ রান। অন্যদিকে, শেষ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মুসা ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট পান ফাস্ট বোলার মিশেল স্টাক। অন্যদিকে তিন উইকেট নেন আরেক পেসার প্যাট কামিন্স।
জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও বাজে রকমের ব্যর্থতার মুখোমুখি হন পাকিস্তান। বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ হয়ে যায়। তখন তিন উইকেট হারানো সফরকারী আজহার আলীর দলের স্কোর ছিল ৩৯ রান। দুটি উইকেট নেন পেসার জশ হ্যাজেলউড। ১৪ রানে অপরাজিত আছেন ওপেনার শান মাসুদ। ইনিংস হার এড়াতে পাকিস্তানের আরো দরকার ২৪৮ রান।
