এমন আগ্রাসনই চেয়েছিল ক্যারিবীয়রা

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:১৮

স্পোর্টস রিপোর্টার, সিলেট থেকে

ব্যাটে-বলে বাংলাদেশকে স্রেফ গুঁড়িয়ে দিলো ওয়েস্টইন্ডিজ। বল হাতে যেনো পুরোনো দিনের গতি ফিরিয়ে আনতে চাইলো। আর সেই গতিতে কাবু হলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অন্যদিকে ব্যাট হাতে একেবারে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া ব্যাটিং করলো। ৩ ওভারে ৫০ ছুঁয়ে ফেললো তারা।

ম্যাচ শেষে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড় হওয়া শেলডন কোট্রেল বলছিলেন, এরকম আগ্রাসী ক্রিকেট খেলাই তাদের লক্ষ্য ছিল, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল, যতোটা সম্ভব আগ্রাসী হওয়া। যতোটা পারা যায় আগ্রাসী বল করা। ইয়র্কার করা, লেন্থ বল করা, শর্ট বল করা। সোজা কথায় আগ্রাসী বোলিং করা। আর এই পরিকল্পনায় কাজ হয়েছে।’

টেস্ট ও ওয়ানডেতে না পারলেও টি-টোয়েন্টিতে কিভাবে তারা স্বরূপে ফিরলো, সেটা ব্যাখ্যা করে বললেন কোট্রেল, ‘এটা ভিন্ন  একটা ফরম্যাট। আর বেশিরভাগ খেলোয়াড় এখন বাড়ি যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। বাড়ি যাওয়ার সময় কাছে আসছে বলে এখন আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলছি। আমরা এখন পরস্পরের কাছে আসছি।’

এই ম্যাচে ৪টি উইকেট নিয়েছেন কোট্রেল। প্রতি উইকেটের পর দিয়েছেন স্যালুট। এই স্যালুট দেওয়ার কারণটাও বললেন তিনি, ‘আমি আসলে জ্যামাইকান প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন সৈনিক। ফলে আমি এটা (স্যালুট) ছিল ওখানে  আমার সহকর্মীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা দেখানোর একটা সুযোগ। আমি এখন আন্তর্জাতিক কাজে আছি। এই সময় তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো দরকার।’

এই ম্যাচে কোট্রেলের পর সবচেয়ে আগ্রাসী ছিলেন ব্যাট হাতে শাই হোপ। হোপের এই দুরন্ত চেহারা একটু অবাক করেনি কোট্রেলকে, ‘এটা মোটেও বিস্ময়কর নয়। সে বেশ কিছুদিন হলো অসাধারণ ফর্মে আছে। সে এখন ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে বিশ্বের ৮ নম্বর ব্যাটসম্যান। আর ব্যাটসম্যান হিসেবে আপনি  যখন ফর্মে থাকবেন, সেটাকে যতোটা সম্ভব কাজে লাগাতে হবে। ও সেটার অসাধারণ একটা উদাহরণ দেখাচ্ছে।’

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাওয়া এই দাপুটে জয়টাকে এখন সিরিজজুড়ে ধরে রাখতে চায় ওয়েস্টইন্ডিজ। কোট্রেল বলছিলেন, ‘আমরা এই ম্যাচ থেকে পাওয়া আত্মবিশাস ও গতিটা সিরিজের পরের দুই ম্যাচে নিয়ে যেতে চাই। আর এ রকমভাবেই সফরটা শেষ করতে চাই। এটা নিয়েই আমরা ড্রেসিংরুমে কথা বলেছি। আমাদের এরকম  জয় পেতে হবে। এই ম্যাচটা আমাদের পরের দুই ম্যাচের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।’