দুবাই শপিং ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি পণ্য

প্রবাসীরা চান বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০:২৬

দুবাই শপিং ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও বাংলাদেশি পণ্য রয়েছে। বিদেশিরা এসব পণ্য পছন্দ করছে। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দাবি, বাংলাদেশি প্যাভিলিয়ন থাকলে ক্রেতাদর্শনার্থীদের আগ্রহ বাড়ত।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিশ্ববাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পণ্য প্রদর্শনীর অন্যতম বাজার দুবাই। সে লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে প্রতি বছর ছয় মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক শপিং ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করা হয়। দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজে এবার বসেছে মেলার ২৪তম আসর। চলতি বছরের ২৯ অক্টোবর সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত করা হয়। মেলা চলবে আগামী ৪ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত। হিসাব অনুযায়ী আগের বার প্রায় ৭ মিলিয়ন দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছিল বৃহত্তর এই মেলায়। এবারও নিজ নিজ দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও দেশি পণ্যের প্রচারের লক্ষ্যে অংশ নিয়েছে ৭৮টি দেশ। মেলায় রয়েছে ৩ হাজার ৫০০টির মতো শপিং আউটলেট, ২০টিরও বেশি রেস্তোরাঁ।

এশিয়ার অন্যতম প্রধান দেশগুলো ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করলেও প্রত্যাশিত লাল-সবুজের ‘বাংলাদেশ’ প্যাভিলিয়ন নেই এবারো। ২০১২ সালে বিনামূল্যে জায়গা বরাদ্দ পাওয়ায় এই ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর বিনামূল্যে জায়গা বরাদ্দ প্রথা তুলে নেওয়ার পরই মুছে যায় ‘বাংলাদেশ’ প্যাভিলিয়নের নাম। পাঁচ বছর পর ২০১৭ সালে আবার যৌথভাবে দেখা দেয় বাংলাদেশের নাম। তখন ‘বাংলাদেশ’ নামটি ছিল নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে একই প্যাভিলিয়নে। চলতি ২০১৯-২০২০ সেশনে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন না থাকায় সঙ্গতকারণেই হতাশ হয়েছেন প্রবাসীরা। তবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন না থাকলেও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে অন্য দেশের প্যাভিলিয়নে। সুগন্ধী, বোরকা, গার্মেন্টস সামগ্রী ও খাবারের স্টল তন্মধ্যে অন্যতম। ব্যবসায়ীদের দাবি, ‘বাড়তি খরচের চাপে মেলায় অংশগ্রহণের আগ্রহ কম দেখান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। প্রবাসী ব্যবসায়ীদের আন্তরিক অংশগ্রহণ না থাকায় যথাযথ মূল্যায়ন পায় না বাংলাদেশ।’

আর ক্রেতা ও বাংলাদেশি দর্শনার্থীরা বলছেন, ‘দেশি পণ্যের প্রচার ও প্রসারের জন্যে দুবাইয়ের এ ফেস্টিভ্যাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গার্মেন্টস সামগ্রী ও চামড়াজাত পণ্যের চাহিদাও রয়েছে এখানে। সে হিসাবে অন্তত বাংলাদেশি পণ্য বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে হলেও এখানে প্রবাসী ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন।’