নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
কুড়িগ্রাম-১ আসনে ভোটের মাঠে আটজন প্রার্থী থাকলেও লড়াই হতে পারে নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে। প্রত্যেকেই কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দিন রাত চালাচ্ছেন প্রচারণা।
নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ২৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন ২৫ কুড়িগ্রাম-১। এ আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থিতার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন স্বতন্ত্র একজনসহ বিভিন্ন দলের ১০ জন প্রার্থী। যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পরেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান গণি।
৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপি নেতা সাইফুর রহমানের স্ত্রী শামীমা রহমান। ১০ ডিসেম্বর অন্যদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর থেকে নেতা, কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে জোড়েশোরে প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের আছলাম হোসেন সওদাগর (নৌকা), বিএনপির সাইফুর রহমান রানা (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টির (জেপি) রশীদ আহম্মেদ (সাইকেল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির জাহিদুল ইসলাম (আম), জাকের পার্টির আব্দুল হাই (গোলাপ ফুল), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আব্দুর রহমান প্রধান (হাত পাখা), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের কাজী লতিফুল কবির (ফুলের মালা)। প্রত্যেকেই দিচ্ছেন উঠোন বৈঠক। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারা ভোটারদের কাছে ভোট ও দোয়া দুটোই প্রার্থনা করছেন।
এদিকে অনেক নাটকীয়তা শেষে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি প্রার্থী তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করছেন। অনেকদিন পর এ আসনে নৌকা প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ভোটার ও সমর্থকরা। এর আগে মহাজোটের কারণে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে এ আসন ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ।
পরপর নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান। মহাজোট এবারে এ আসনটি উন্মুক্ত করে দেওয়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আছলাম হোসেন সওদাগর নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। ভোটের মাঠে আছেন বিএনপি প্রার্থী সাইফুর রহমান রানা। নির্বাচনী মাঠে সমান তালে দৌড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।
ফসলের মাঠ থেকে চায়ের দোকান পর্যন্ত সর্বত্রই আলোচিত হচ্ছে এদের তিনজনের মধ্যে কে হাসবেন শেষ হাসি। শেষ পর্যন্ত ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে।
