কালীগঞ্জে আটক আট সড়ক-ডাকাত!

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:১৬

গাজীপুরের কালীগঞ্জে সড়ক-ডাকাত দলের আট সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৫ হাজার ৬৫৫ টাকা, ১২টি মোবাইল ফোন সেট, একটি দা ও চাপাতি, লাঠি ও রশি জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলো—হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার পান্ডরাইল গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে সবুজ মিয়া (৪৫), ময়মনসিংহের দুবাউড়া থানার গোস্তাবহলী গ্রামের ফজর আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৮), গৌরিপুর থানার পাঁচকাহানিয়া গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে শামীম (২০), বি-বাড়ীয়ার বিজয়নগর থানার চাঁনপুর গ্রামের আবু জাহেদের ছেলে এমদাদুল হক মিলন (২৭), নাসিরনগর থানার তারাউল্লাহ গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে শিপন (২৪), বি-বাড়ীয়া সদর থানার শিলাউর গ্রামের আবিদ মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম (২০), সুনামগঞ্জের দুয়ারা বাজার থানার রামপুর গ্রামের জুনাব আলী মিয়ার ছেলে বশির আহমেদ (৩৫) ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার ভাটিয়ানপুর গ্রামের মাসুদুর রহমানের ছেলে তানভীর (২১)।  

গত বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সোহেল রানা, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মোজাহিদুল ইসলামসহ থানার এসআই ও এএসআইবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তারা আরো জানান, গত ৩০ নভেম্বর দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কে বাঘারপাড়া নামকস্থানে একটি প্রাইভেটকারের সামনে গাছ ফেলে এর গতিরোধ করা হয়। এ সময় ঐ ডাকাতদল প্রাইভেটকারের মালিক ডা. আসাদুজ্জামানের কাছ থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতরা যাত্রীবাহী একটি বাসের গতিরোধ করলে একজন ৯৯৯- এ ফোন করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে এবং ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে ঐ ঘটনায় পরদিন ১ ডিসেম্বর সকালে ডা. আসাদুজ্জামান কালীগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতি মামলা (নং ২) দায়ের করেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঐ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি এ কে এম মিজানুল হকের নেতৃত্বে দুই দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে টঙ্গী, ঢাকা, বি-বাড়ীয়া ও নরসিংদী থেকে ঐ ডাকাতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত সাত জন এবং এক সহযোগীকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন সেট, দেশি অস্ত্র জব্দ করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়।