বিদ্রোহীরা আজকের মধ্যে না সরলে কঠোর ব্যবস্থা

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:২৪

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যে নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ালে বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যেহেতু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার আর কোনো সুযোগ নেই, সেহেতু তারা সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারবেন। আমরা মঙ্গলবার পর্যন্ত দেখব কতজন প্রত্যাহার করেন। তবে আওয়ামী লীগের ইতিহাসে এবার বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা অনেক কম হয়েছে কৌশলী নেতৃত্বের কারণে।

গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন তদন্ত মোতাবেক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এতে আওয়ামী লীগের কোনো দ্বিমত থাকবে না।  অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উত্সবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হতে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে তারা যে দলেরই হোক, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর আগে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে খোঁজ খবর নেন। তিনি জানান, মহাজোট আবারও ক্ষমতায় এলে জানুয়ারি মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত এই সেতুটি উদ্বোধন করবেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মজিবুল হক, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা জোনের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, নারায়ণগঞ্জ সওজের প্রধান প্রকৌশলী আলীউল হোসেনসহ সড়ক ও সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, এদিকে রবিবার রাতে মাইজদীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মঞ্চে এক আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ৩০ ডিসেম্বর সারাদিন ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। তাদের পরাজিত করার এটিই মোক্ষম সময়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর নোয়াখালীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডার মোজাম্মেল হক মিলন প্রমুখ।