স্রোত আবৃত্তি সংসদের তিন দশক উদযাপন উপলক্ষে ‘যজ্ঞে আনন্দে ৩০ বছর’ আয়োজনে আবৃত্তি করলেন স্বনামধন্য পাঁচ আবৃত্তিকার। শিল্পকলা একাডেমির মূল নাট্যশালায় আবৃত্তি করেন সৈয়দ হাসান ইমাম, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, আশরাফুল আলম, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডালিয়া আহমেদ।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বেলে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, স্রোত আবৃত্তি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কে এম নাসির এবং সভাপতি মাসুদুজ্জামান।
আশরাফুল আলম আবৃত্তি করেন কবি রবীন্দ্র গোপের ‘গুলিবিদ্ধ মুখ’, রফিক আজাদের ‘মানুষ’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ঢাকীরা ঢাক বাজায় খালে বিলে’ সহ বেশকিছু কবিতা। ডালিয়া আহমেদ শোনান কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘আগমনী’ ও ‘স্বদেশী গান’, নির্মলেন্দু গুণের ‘স্বাধীনতা শব্দটি যেভাবে আমাদের হলো’ ও নীলিমা ইব্রাহিমের ‘আমি বীরঙ্গনা বলছি’ থেকে আখ্যানভাগ।
সৈয়দ হাসান ইমাম আবৃত্তি করেন কবি মাহবুব সাদিকের ‘যুদ্ধ ভাসান ৪’, আহসান হাবিবের ‘আমার সন্তান’, আবুল হাসানের ‘উচ্চারণগুলি শোকের’, শিহাব সরকারের ‘নজরুলকে মনে পড়ে’ এবং ইকবাল আজিজের ‘বাঙালির অসমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ’ কবিতা। আর কবি তারিক সুজাতের ‘ম্যাডিসন স্কয়ারের অবিনাশী মুখ’ ও ‘আমি আমার আতুড় ঘরে পথ হারালাম’, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘সে বড়ও সুখের সময় নয় সে বড়ও আনন্দের সময় নয়’, সাকিরা পারভীনের ‘খণ্ড খণ্ড পুরিয়া’ এবং শিহাব শাহরিয়ারের ‘পাতাদের পিঠ থেকে’ পরিবেশন করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। সবশেষে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় নিবেদন করেন কবি নির্মলেন্দু গুণের ‘জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘লিপিকা’ এবং সুবোধ সরকারের ‘আমি ফিরোজা, একটি ভারতীয় মেয়ে’সহ অন্যান্য কবিতা।
