বিটিভিতে পুতুলের গান

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:২৮

মা হ মু দু ল  আ মি ন

 

শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও নন্দিত উপস্থাপক পুতুলকে বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের দুটি অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করতে দেখা যাবে। এর মধ্যে পুতুল তিমির নন্দীর উপস্থাপনায় ‘হূদি কল্লোল’ অনুষ্ঠানে দুটি দেশাত্মবোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নিয়েছেন। গান দুটির একটি হলো বিপুল ভট্টাচার্য্যের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান ‘এই না বাংলাদেশের গান’ এবং অন্যটি হলো মৌসুমী ভৌমিকের ‘যশোর রোড’। এ ছাড়াও মাহবুবা ফেরদৌস প্রযোজিত বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের দেশাত্মবোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নিয়েছেন পুতুল। এই গানও বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। দেশের গান গাইতে সব সময়ই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন পুতুল। পুতুল বলেন, ‘আমার সৌভাগ্য, নানাভাবে বেশ ক’টি মৌলিক দেশাত্মবোধক গান আমার করা হয়েছে। যে গানগুলোর জন্য সব সময়ই বেশ ভালো সাড়া পেয়ে থাকি। দেশের গান গাওয়ার মধ্যে এক অন্য রকম তৃপ্তি কাজ করে। এখন পর্যন্ত আট-দশটি দেশের গান গেয়েছি। এটা আমার জন্য সত্যিই এক অন্য রকম ভালোলাগা। গানগুলোর সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’ লুত্ফর হাসানের লেখা ও সুর করা দেশাত্মবোধক গান ‘ও আমার শাপলা ফোটা ঝিলের জলের ঢেউ’ গানটির জন্য যেমন প্রতিনিয়ত সাড়া পান পুতুল, ঠিক তেমনই মোহাম্মদ রফিক উজ জামানের লেখা ও অনুপ ভট্টাচার্য্যের সুরে ‘বিজয় মানে তো জনতার কাছে আসা’ গানটির জন্যও বেশ প্রশংসা পান পুতুল। এরমধ্যে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে রাজন সাহার সুরে ও মাহতাব হোসেনের লেখা, পুতুলের গাওয়া ‘চোখের কোণে জল’ গানটি। আজ জামাল হোসেনের লেখা ও হূদয় হাসিনের সুরে ‘হতাম যদি আমি একটা নদী’ গানটির মিউজিক ভিডিওর শুটিং সম্পন্ন হবে। গান পুতুলের পেশা আর লেখালেখি নেশা। আগামী বইমেলায় যথারীতি তার নতুন উপন্যাস আসছে। তবে উপন্যাসের নামকরণ করা হয়নি এখনো। তবে এই সময়ে তাকে উপস্থাপনায় দেখা যাচ্ছে না বললেই চলে। পুতুল বলেন, ‘সংগীতবিষয়ক অনুষ্ঠানগুলোতে যদি নতুনত্ব আসে কিংবা চ্যানেলগুলো যদি নতুন আঙ্গিকে কিছু করার চিন্তা করে, তাহলেই হয়তো উপস্থাপনাতে আবার নিয়মিত হব।’ এরইমধ্যে পুতুল কণা চৌধুরীর লেখা নতুন দুটি গান ‘ঝুম বৃষ্টিতে’ ও ‘কফির চুমুকে’-এ কণ্ঠ দিয়েছেন।