শিশিরের চোখে মুখে সাইবেরিয়ার ভ্রাংগেল দ্বীপ—
শিশির কথা শিখছে—শরতের কাছ থেকে
মুখ থেকে তার ঝুর ঝুর করে পড়ছে পদ্য এবং পাখিদের কিচিরমিচির
ভোরে হাঁটতে হাঁটতে শিশিরের ডানার সাথে ধাক্কা খেলে বুঝলাম তা—
ঠিক দুপুরে করোটির সাথে চেনা জানা হলো শিশিরের;
শিশির অনুবাদের ঝুলি থেকে একজোড়া শরতের বই উপহার দিলো করোটিকে—
যে বইয়ের প্রচ্ছদে কাশবনের শাদা শাদা মেঘ
জলজোসনার ভারী ভারী স্কেচ আঁকা আছে
আমাদের এই ঘরমুখো শিশিরের আর দুঃখ নেই
ত্যাগের চেয়ে মহত্ কী হতে পারে!
রৌদ্র তো আগুনের মুখের বুলি—আকাশের সাথে কওয়াকয়ি করে, শাখাশাখি করে
বংশবুনিয়াদে ওদের শান্তির প্রচার নেই
তাই মানু্ষ শরত্ আসলেই শিশিরের চাতালে গিয়ে গায়ে মাখে তার স্বাদ
লোমকূপে ভরিয়ে নেয় প্রশান্ত মহাসাগরের ঢেউ
