ইন্টারভিউয়ে অঙ্গভঙ্গি যেমন হবে

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:১১

আপনার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান থেকে ইন্টারভিউয়ের একটা চিঠি চলে আসতেও পারে। আপনি নিশ্চয়ই দারুণ উত্তেজিত হয়ে পড়বেন। যাবতীয় প্রস্তুতিও হয়তো নিয়ে ফেলবেন। কিন্তু আপনার কিছু অঙ্গভঙ্গি সর্বনাশ করে ফেলতে পারে। বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে দিয়েছেন পরামর্শ। তাতে জানানো হয়েছে ইন্টাভিউয়ে বসে এমনই কিছু অঙ্গভঙ্গির কথা, যেগুলো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা নষ্ট করে।

দৃষ্টিকটু অঙ্গবিন্যাস :কীভাবে বসছেন তার দিকে খেয়াল রাখুন। এমনকি প্রশ্নকর্তাদের সামনেই যে স্মার্টভাবে বসবেন তা নয়। ওয়েটিং রুমেও আপনার দিকে দৃষ্টি রাখবে কর্তৃপক্ষ। ঘাড় কুঁজো করে বসে থাকবেন না। আত্মবিশ্বাসীদের মতো মাথা উঁচু করে বসে থাকুন।

বাজে হ্যান্ডশেক :প্রশ্নকর্তারা প্রার্থীর সঙ্গে ভব্যতাসূচক হ্যান্ডশেক করেন না। তারা প্রার্থীর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চান। আর দেখতে চান, প্রতিক্রিয়ায় তারা কীভাবে হ্যান্ডশেক করেন। প্রতিক্রিয়া খুব দুর্বল ভাব নিয়ে হ্যান্ডশেক করতে নেই। আবার জোরালো চাপের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতারও জানান দিবেন না।

ঘামে ভেজা হাতের তালু : হ্যান্ডশেকের সময় ঘামে ভেজা হাতের তালু আপনার সর্বনাশ ডেকে আনবে। পরিস্কার ও শুকনো হাতের হ্যান্ডশেক সত্যিকার অর্থেই উষ্ণতাপূর্ণ হয়।

চোখে চোখ সংযোগের অভাব :আত্মবিশ্বাস ও স্মার্টনেসের প্রকাশ ঘটে আই কনট্যাক্টের মাধ্যমে। সময়মতো চোখে চোখ না রাখতে পারা দুর্বলতার প্রকাশ। চাকরির ইন্টারভিউয়ে আই কনটাক্ট অতি জরুরি বিষয়।

অস্থিরতায় ভোগা :স্নায়বিক অস্থিরতার প্রকাশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সাধারণত চুলে হাত বোলানো, দাঁত দিয়ে নখ কাটা, মুখে হাত রাখা ইত্যাদি আচরণের মধ্য দিয়ে স্নায়বিক অস্থিরতা প্রকাশ পায়। এসব আচরণে মানসিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়।

মনোযোগ বিচ্ছিন্ন ভাব :প্রশ্নকর্তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় অনেকে এ কাজটি করেন। এদিক-ওদিক তাকানোতে মনে হয়, প্রার্থীর মনোযোগ নেই। এ ছাড়া দুই পা নাড়ানো বা বার বার পায়ের ওপর পা তুলে দেওয়া ও নামিয়ে ইত্যাদি আচরণেও মনে হতে পারে, আপনি এ চাকরিতে ইচ্ছুক নন।

মুখে হাসি না থাকা :একটা আন্তরিক হাসিতে অনেক কিছু জয় করা যায়। কঠোর মুখে বসে ইন্টারভিউ চলে না। তাই মুখে অনাবিল হাসির ঝলক মাঝে মাঝেই থাকতে হবে।