আরেকজন গুণীকে হারালো এই ইন্ডাস্ট্রি। চলচ্চিত্র সম্পাদনায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ নাম সাইদুল আনাম টুটুল। তিনি সালাহউদ্দীন জাকির ‘ঘুড্ডি’, শেখ নিয়ামত আলীর ‘দহন’ (১৯৮৫), মোরশেদুল ইসলামের ‘দীপু নাম্বার টু’ ও ‘দুখাই’-এর মতো ছবির সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে শেখ মসীহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী নির্মিত বহুল আলোচিত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র সম্পাদনাও তার হাতে হয়েছে। ছবিটি সম্পাদনা করে তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্র সম্পাদক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। শুধু সম্পাদনাই নয়, চলচ্চিত্র নির্মাণেও তার দক্ষতা ছিল বলার মতো। সবচেয়ে দুঃখের বিষয়, শুনলাম তিনি কালবেলা চলচ্চিত্রের কাজ পুরো শেষ করতে পারেননি। সব কাজ শেষ না করেই চলে গেলেন তিনি।
কোনোভাবেই তার এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না। তবুও কিছু বিষয় আছে মেনে নিতে হয়। তবে সাইদুল আনাম স্যার যে কাজগুলো করে গেলেন তার মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন। টুটুল স্যার কালবেলা সিনেমার কাজের শুরুতে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন, ‘অনেক চলচ্চিত্র তো নির্মাণ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু যথাযথ প্রযোজক না পেলে তো আর চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব নয়। কোনোরকম বাজেট নিয়ে আমার পক্ষে চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব নয়।’
লেখক: ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি
সাইদুল আনামের চলচ্চিত্র
পরিচালনা
আধিয়ার (২০০৩)
কালবেলা (২০১৮)
সম্পাদনা
সূর্য দীঘল বাড়ী (১৯৭৯)
ঘুড্ডি (১৯৮০)
দহন (১৯৮৬)
দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬)
দুখাই (১৯৯৭)
আধিয়ার (২০০৩)
পুরস্কার ও
সম্মাননা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ১৯৭৯ (সম্পাদনা বিভাগ, সূর্য দীঘল বাড়ী)
ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০০৪ (চলচ্চিত্র পরিচালক বিভাগ)
