একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে এমপি পদে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ছয়জন প্রার্থী থাকলেও চার প্রার্থী রয়েছেন কাগজে-কলমে। প্রচারণায় নেই। তাদের কোনো প্রচারণা, গণসংযোগ, কর্মীসভা, মাইকিং এমনকি পোস্টারও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। কেন তারা এমপি পদে নির্বাচন করছেন তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং নানা প্রশ্ন।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন(নৌকা), বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী(ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম জহির (লাঙ্গল), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মো. মুজিবুর রহমান পেশওয়ারী(দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী শাসন তন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মো. শাহিনুর ইসলাম(হাতপাখা) এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী শ্রীমতি রুপা রায় চৌধুরী(বাঘ)। প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. একাব্বর হোসেন ও বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ভোটের মাঠে থাকলেও অপর চার প্রার্থীর কোনো প্রচারণা নেই। মো. একাব্বর হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। তাদের নির্বাচনী পোস্টার অলি-গলিতে শোভা পাচ্ছে এবং চলছে দিন-রাত মাইকিং। এখানে লড়াই হচ্ছে মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর মধ্যে।
এদিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম জহির(লাঙ্গল), খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমীর মাওলানা মো. মুজিবুর রহমান পেশওয়ারী(দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী শাসন আন্দোলনের মো. শাহিনুর ইসলাম(হাতপাখা) এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের শ্রীমতি রুপা রায় চৌধুরী(বাঘ) এই চার এমপি প্রার্থীর কোনো প্রচারণা, মাইকিং, গণসংযোগ ও পোস্টার এলাকায় না থাকায় ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
মো. জহিরুল ইসলাম জহির, শাহিনুল ইসলাম ও শ্রীমতি রুপা রায় চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা এলাকায় না থাকায় তাদের মতামত জানা যায়নি।
অপর প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান বলেন, আমি প্রচারণা ও এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি।
