মজুরি বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন শ্রমজীবী নারীরা

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৩৯

গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সমাবেশে বক্তারা

 কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কমলগঞ্জের কালেঙ্গায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে নারী নেতৃবৃন্দ নির্যাতন, হত্যা, খুন, গুমের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একের পর এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রচলিত বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থার অকার্যকরতার প্রকাশ। নারী অধিকার, নারীর ক্ষমতায়, নারী উন্নয়ন নিয়ে নানা রকম গালভরা বুলি শুনালেও দেশের অধিকাংশ নারী, বিশেষত শ্রমজীবী নারী কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা, মজুরি বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহ্বায়ক দেলোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন—সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জিনাত রেহনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক রহিমা আখতার ও কামরুন নাহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি শহীদ সাগ্নিক।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় নেত্রী দৌলতুন নেছা, ডা. তাবাসুম মুমু, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আম্বিয়া বেগম, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমলেশ শর্মা, মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন মিয়া, জেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দুলাল মিয়া, শ্রমিক নেতা শাহজাহান আলী ও রিপন মিয়া প্রমুখ।

নারী নেত্রী কামরুন নাহার বলেন, রাষ্ট্রের কাছে শ্রমিকের জীবনেরও কোনো মূল্য নেই। প্লাস্টিক বা ফ্যান কারখানায় অগ্নিদগ্ধের ঘটনা কোনো নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটি মালিক ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড। তিনি অবিলম্বে মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন, নিহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, আহতদের যথাযথ সুচিকিত্সা ও ক্ষতিপূরণ, কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের উপযুক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।