দু’দিন বৃষ্টিতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে শীত জেঁকে বসেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিমেল হাওয়া শীতের আমেজ বাড়িয়ে দিয়েছে।
সৈয়দপুরের রেললাইনের ধারে পুরনো কাপড়ের দোকান ও বিপণী বিতানগুলোতে শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। সাধ্য অনুয়াযী মার্কেট কিংবা ফুটপাত থেকে ক্রেতারা কিনে নিচ্ছেন পছন্দের শীতের পোশাকটি। সবমিলিয়ে বিক্রি হচ্ছে জমজমাট।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের পোশাক কেনাকাটা করতে বিপণী বিতানগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। তবে শীতের তীব্রতা যতো বাড়বে, তার সঙ্গে বাড়বে কেনাকাটাও।
শীতের আক্রমণে মানুষ রীতিমতো জবুথবু। গায়ে গরম কাপড় ও টুপি পরে তারা শীতের দাপট থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও বস্তিগুলোর সামনে ছিন্নমূল মানুষ কাগজ-খড়কুটো পুড়িয়ে একটু উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শীত জেঁকে বসায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষরা। শীত মৌসুমের প্রথমে কিছুটা কম থাকলেও গত দু’দিনে হঠাত্ বৃষ্টি হওয়ার কারণে জেঁকে বসেছে ও মৃদু বাতাসও বইছে। শৈত্যপ্রবাহ ও মৃদু বাতাসের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। তীব্র শীতে গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা ক্রেতার সাড়া পাচ্ছেন। তবে বিপাকে পড়েছেন সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় থাকা প্রার্থী ও তার সমর্থকরা। তারা বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শীতের মধ্যেও চালাচ্ছেন গণসংযোগ।
