দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে ৪৯৭ রানে। জিম্বাবুয়ের হাতে প্রথম ইনিংসে আছে ৯ উইকেট। এ অবস্থায় বাংলাদেশ একটু হলেও টেস্টে এগিয়ে আছে বলেই মনে করা স্বাভাবিক। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের ফিল্ডিং কোচ শেপার্ড মাকুনুরা মনে করছেন, খেলায় গতকাল পর্যন্ত সমতাই বিরাজ করছিল। আজ সকালের খেলার দিকে চেয়ে আছেন তিনি।
গতকাল দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে শেপার্ড বলেন, তারা আজ প্রথম সেশনে ভালো করলে এ টেস্টেও উতরে যেতে পারেন, ‘আমার মনে হয় খেলাটা এখনও দুই দলের জন্য সমান অবস্থায় আছে। যদিও বাংলাদেশ খুব ভালো ব্যাট করেছে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে আগামীকাল (আজ) সকালে, বিশেষ করে প্রথম সেশনে আমরা কতো ভালো ব্যাট করি, তার ওপর। আমরা যদি প্রথম সেশনটা ভালো খেলতে পারি, তা হলে আমাদের জন্য কাজটা একটু সহজ হবে।’
তবে শেপার্ড মানছেন যে, এ দিনটা ছিল আসলে মুশফিকুর রহিমের। বাংলাদেশি এ ডাবল সেঞ্চুরিয়ানের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সে সত্যিই অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা তার কাছ থেকে একটা, দুটো বিষয় শিখতে পারে। অন্তত এ উইকেটে কিভাবে খেলতে হয়, সে বিষয়ে শিখতে পারে। শুরুর দিকে, দিনের প্রথম সেশনে বল বেশ মুভ করেছে। কিন্তু সে ভালো ব্যাট করেছে।’
মুশফিকের সাথে ৬৮ রান করা মেহেদী হাসান মিরাজ অষ্টম উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ১৪৪ রান যোগ করেছেন। এ জুটি সম্পর্কে শেপার্ড বলছিলেন, ‘ওরা দুজন খুব ভালো ব্যাট করেছে। মুশফিকুরের মতো একজন সেট ব্যাটসম্যানের পাশে এসে ব্যাট করায় তার (মিরাজের) কাজটা সহজ হয়েছে। তারা ওই পর্যায়ে ভালো একটা জুটি করেছে। তারা বেশ ভালো ব্যাট করেছে।’
অল্প রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর এরকম কয়েকটা জুটি হওয়াকে অবশ্য ক্রিকেটের অংশ বলেই মনে করছেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডিং কোচ, ‘এটা আসলে ক্রিকেটের অংশ। এরকম ঘটনা খেলায় ঘটে থাকে। ক্রিকেটে এরকম আপনি শুরুর দিকে কিছু উইকেট পাবেন এবং তারপর বড় জুটি হবে, এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাট করেছে, সেটা দারুণ ছিল।’ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জুটিটা অবশ্য হয়েছে মুমিনুল ও মুশফিকের। আর সে জুটির পেছনে একটা বড় কারণ ছিল মুমিনুলের ক্যাচ মিস। সেই ঘটনা নিয়ে ফিল্ডিং কোচ বলছিলেন, ‘এটা হতাশাজনক। তবে এটা খেলার অংশ। কিছু ক্যাচ ধরবেন আপনি, কিছু ফেলে দেবেন; এটাই খেলার অংশ। আমরা ওখান থেকে এগিয়ে এসেছি।’
