জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধনকে (এনপিআর) শুক্রবার গরিবের উপরে চাপানো কর বলে উল্লেখ করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাহুল গান্ধীকে পাল্টা আক্রমণ করে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। রাহুলকে ২০১৯ সালের সেরা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করে দলটি। সেইসঙ্গে দলটির দাবি, রাহুল গান্ধী নিজের পরিবার ও দলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছেন।
বিজেপির সিনিয়র নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর কংগ্রেসকে দায়ী করে বলেন, কংগ্রেস দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, দেশের মানুষ নতুন নাগরিকত্ব আইন ও এনপিআরকে সমর্থন করছে।
তিনি আরও বলেন, এনপিআরের সঙ্গে কোনও অর্থনৈতিক লেনদেনের ব্যাপার নেই। এবং এর তথ্য ব্যবহৃত হয় গরিবদের চিহ্নিত করতে, যার সাহায্যে সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি এই মানুষগুলির কাছে পৌঁছায়।
এছাড়া জাভড়েকর বলেন, যখন রাহুল গান্ধি কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন, তিনি যা ইচ্ছে বলতে পারতেন এবং সব সময়ই মিথ্যা বলতেন। এখন তিনি সভাপতি না হলেও মিথ্যা বলাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি বছরের সেরা মিথ্যেবাদীর কোনও ক্যাটিগরি থাকত উনিই এর প্রাপক হতেন। তার কথায় তাঁর পরিবার অস্বস্তিতে পড়ে। এবার তিনি দেশ ও তার দলকে বিড়ম্বনায় ফেলতে মিথ্যা বলছেন।
এর আগে এদিন রাহুল গান্ধি দাবি করেন, এনপিআর ও এনআরসি হল গরিব মানুষদের উপরে চাপানো কর। নোটবন্দিও গরিব মানুষদের উপরে কর ছিল। ব্যাঙ্কে যান, আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন না। এটাও তেমনই। আধিকারিকদের ঘুষ দিন, আপনার নথি নিন।
তিনি আরও বলেন, গরিব মানুষকে আধিকারিকদের কাছে যেতে এবং নিজেদের নথি দেখিয়ে ঘুষ দিতে হবে। যদি তাঁদের নামের বানানে সামান্য ভুলও থাকে, তার জন্য তাঁদের ঘুষ দিতে হবে। গরিবদের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা এভাবে তুলে আনা হবে ও সেই ১৫ জন লোককে দেওয়া হবে। এটাই সত্যি। এটা মানুষের উপরে আক্রমণ।
সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এটা বুঝতে পারছেন না। এবং দেশের সময় নষ্ট করা হচ্ছে। এনডিটিভি।
ইত্তেফাক/এসআর
