[ ২১ মে - ২০ জুন ]
শাসক গ্রহ :বুধ
শুভ সংখ্যা :৫
বৈশিষ্ট্য :বাতাস
রং :হালকা সবুজ, আকাশি, কমলা ও লাল
ধাতু :রুপা ও প্লাটিনাম
রত্ন :পান্না, ফিরোজা,
জেড ও বেরিল
শুভ দিন :বুধবার
সঙ্গী/সঙ্গিনী :কুম্ভ, তুলা, সিংহ
বিখ্যাত ব্যক্তি
কাজী নজরুল ইসলাম, শেখ সাদী, উইলিয়াম বাটলার, ইয়েটস, পুশকিন, রাজা রামমোহন রায়, এমারসন, চার্লস রিড, রানি ভিক্টোরিয়া, মার্শাল টিটো, চে গুয়েভারা, মেরিলিন মনরো, নির্মলেন্দু গুণ, কবরী সারওয়ার, ফররুখ আহমদ, ড. শহিদুল আলম, মুনতাসীর মামুন, হুমায়ুন ফরিদী।
জে নে নি ন আ প নি কে ম ন মি থু ন
বৈশিষ্ট্য
প্রতীক :যমজ, শিল্পী বা আবিষ্কারক
বায়বীয় বৈশিষ্ট্য :বাচাল, অস্থির, বহুমুখী, চতুর,
উচ্ছ্বাস স্পষ্টরূপে প্রকাশক্ষম।
ব্যক্তিত্ব :খামখেয়ালি ও স্ববিরোধী, মানসিকভাবে প্রাণবন্ত, অসহিষ্ণু, শৈল্পিক, রসিক, বহুমাত্রিক।
মিথুন তার জামাকাপড়, চাকরি, ভালোবাসা কিংবা বাসস্থান সব মনের ভাবের মতোই যখন-তখন বদলে ফেলতে পারে। এটাই হতে পারে মিথুন রাশির প্রথম লক্ষণ। তবে মিথুন পুরুষ ও নারী খুব রক্ষণশীল হয়। পুরোনো আমলের কথাবার্তা ও ব্যক্তিদের ব্যাপারে, কিংবা যারা কোনো একটা অবস্থানে দাঁড়িয়ে নিজেদের মেনে নিতে পারে না, তাদের ব্যাপারে খুবই অধৈর্য গোছের। মিথুনেরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় আকর্ষণীয়ভাবে চিকন, লম্বা, প্রাণশক্তিপূর্ণ হয়, যদি না তাদের ওপর গ্রহ-নক্ষত্রের নেতিবাচক প্রভাব থাকে। সতর্ক, সদা চঞ্চল চোখগুলোই হয়তো তাদের চেনার সহজতম উপায়। মিথুনদের কোনো মানসিক ক্ষিপ্রতায় চ্যালেঞ্জ করাটা সম্পূর্ণ বৃথা, কেননা কথা দিয়ে নিজেদের খুব ভালোই প্রমাণ করতে পারে। আর খুব সহজেই তা সে করতে পারে। তারা দাঁড়ানো অবস্থায় কিংবা অন্য যেকোনো অবস্থাতেই খুব তীক্ষভাবে বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, আর তারা চালাকিতে প্রায় সবাইকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে। কিছু কিছু মিথুন জাতক-জাতিকারা অন্য যারা ধীরস্থিরভাবে চিন্তা করতে অভ্যস্ত, তাদের নিজেদের ক্ষীপ্র মানসিক ক্ষমতা দিয়ে বোকা বানিয়ে কিংবা চিন্তামগ্ন করে তুলে একধরনের দুষ্টু প্রকৃতির আনন্দ উপভোগ করে থাকে। মিথুনদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো দ্বৈততা। তারা দুটো কাজ একসঙ্গে খুব সহজেই করতে পারে। যেকোনো ধরনের রুটিন মিথুনদের খাঁচায় বন্দী পাখির মতো বিমর্ষ করে তোলে। অস্থির প্রকৃতির বুধ-স্বভাববিশিষ্ট মিথুনেরা সব সময়ই উত্তেজনা আর পরিবর্তন প্রত্যাশা করে। আর এসব না পেলে তারা অন্যমনস্ক ও বিষণ্ন হয়ে ওঠে। প্রত্যেক মিথুনের মধ্যেই নিজের ভেতরের আসল উদ্দেশ্য চেপে রাখার একটা দৃঢ় সংকল্প থাকে। মিথুন আর লেখালেখির মধ্যে একটা অদ্ভুত যোগাযোগ আছে। এই রাশি নিজেই লেখালেখির ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই প্রায় সব মিথুনই যেকোনো একটা বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য করে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে আরো কিছু শব্দ সহজেই জুড়ে দিতে পারে। প্রচুর সংখ্যক মিথুন আছেন, যারা বিজ্ঞাপনচিত্র, ভাষণ, প্রামাণ্য চিত্র, নাটক, বই ইত্যাদি সৃজনশীলতার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু তাদের বইগুলো হবে উপন্যাস কিংবা পাঠ্যবই, কিংবা বাস্তবভিত্তিক কাহিনি ও জীবনবৃত্তান্ত।
মিথুনের সন্দেহবাতিকতা একটু বেশি, যা অনেক সময় খুব ঝামেলার সৃষ্টি করে। তারা ভাবগম্ভীর এবং অনেক সময় তীব্র বদমেজাজি হয়। এরা অনেকটা খেয়ালি মনোভাবের।
বি শে ষ জ্ঞে র চো খে কে ম ন যা বে আ প না র ২ ০ ২ ০
বছরের শুরুত রাহু মিথুনে অবস্থান করলেও রবি, বুধ ও বৃহস্পতির দৃষ্টি মিথুনে থাকার ফলে সামগ্রিকভাবে বছরটি মিথুন রাশির ভালো যাবে বলে আশা করা যায়। তবে মিথুনে রাহুর অবস্থান এবং শনির দৃষ্টির জন্য মাঝেমধ্যে কিছুটা প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন। বছরের প্রথমার্ধে আর্থিক দিক ভালো যাবে। একাধিক সূত্র থেকে অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ধনস্থানে শনির দৃষ্টির ফলে আর্থিক ব্যাপারে কিছুটা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে পারেন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রণয়-রোমান্স প্রভৃতি বিষয়ে সুফল পাবেন। এ সময় নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তান লাভের সম্ভাবনা আছে। কনিষ্ঠ ভ্রাতা-ভগ্নির সঙ্গে সম্পর্ক ভালো গেলেও মাঝেমধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির আশাঙ্কাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একাদশে ইউরেনাসের উপস্থিতি এবং বৃহস্পতির দৃষ্টির ফলে অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে। এ সময় প্রাইজবন্ড অথবা লটারির টিকিট রাখলে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ বছর দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা কোনো ব্যাধির জন্য শরীর থেকে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। পায়ে কোনো ধরনের আঘাত প্রাপ্তির আশঙ্কা রয়েছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ভাগ্যস্থানে নেপচুন অবস্থান করবে। এ সময় রহস্যজনক সূত্র থেকে অর্থাগমের সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি রহস্যজনক কারণে ভাগ্যবিপর্যয়ের আশঙ্কাও একবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অন্যান্য দিক ভালো যেতে পারে।
