নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো ধরনের অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে কে কোন দলের প্রার্থী সেটা আমাদের কাছে বিবেচ্য নয়।’ একটি গ্রহণযোগ্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চাই। বুধবার রংপুরে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়ে রংপুর বিভাগের পুলিশ, র?্যাব, বিজিবিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সেনাবাহিনী ইতোমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ১৫ ডিসেম্বর থেকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে রেকি করা শুরু করেছে। ২৪ ডিসেম্বর থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।’ রংপুরের বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা শাহাতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জয়নুল বারী, রংপুর রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল আলিম মাহমুদ, রংপুর র?্যাব ১৩ প্রধান মোজাম্মেল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় রংপুর বিভাগের ৮ জেলার প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘নির্বাচনি মাঠ সমতল বলতে আমি মনে করি ভোটারদের জন্য মাঠ সমতল করতে হবে। ভোটাররা যাতে নিরাপদে বাসা থেকে বের হয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আবার যেন নিরাপদে বাড়ি ফিরে আসতে পারে এটাকেই আমরা সমতল বলি।
একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এবং ভোটের মাঠ সমতল করার জন্য চেষ্টা করছি। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
