আশুলিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি জাবির গাড়িচালকসহ আটক ৫

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:১৫

সাভারের নিরিবিলি এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে এক বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনায় শনিবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ ডাকাতকে আটক করেছে।

আটককৃতরা হলো—জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িচালক বাবুল হোসেন, শেরপুর জেলার নকলা থানার চর ভাবনা গ্রামের হুমায়ুন কবীর, আশুলিয়ার গেরুয়া এলাকার শাকিল মৃধা, মাসুদ ও শাহিনুর ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে গতকাল রবিবার আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডাকাত দলের হামলার শিকার শেখ আমিন জানান, শনিবার রাতে পুলিশের পোশাক পরা পাঁচ থেকে ছয় জন লোক বাসায় ঢুকে তার নামে মামলার ওয়ারেন্ট আছে বলে জানায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ঘরে তল্লাশির নামে ঢুকে নগদ ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে। পরে পরিবারের লোকজনের চিত্কারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। ঐ রাতেই তিনি ঘটনাটি জানিয়ে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ ডাকাতকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তিন জনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে জানান।

আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ জানান, ডাকাতির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়ে রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আরো কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা

বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন

সাভারে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন নারী যোগাযোগ কেন্দ্র (এনজেকে)। রবিবার দুপুরে সাভার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে নারী যোগাযোগ কেন্দ্রের আহ্বায়ক রোকেয়া হক, সমন্বয়কারী মনিরা আক্তার, সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতানা রাজিয়া, নাছিমা খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সাভারে দিন দিন নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন বেড়েই চলছে। প্রতিনিয়তই পোশাক শ্রমিক ও শিশুরা প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে। সাভারে প্রতি মাসে শিশুরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। গণধর্ষণের শিকার হচ্ছে নারী পোশাক শ্রমিকরাও। তারা কর্মক্ষেত্রেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আয়োজকরা চলতি বছরের স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার কিছু তথ্য চিত্র তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সমাজের সকলকে কার্যকরী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।