ছুঁতে দেখে যেতে চাই
নক্ষত্রের নীল পেটিকোট
সময়ের শিখা অনির্বাণ;
পুড়ে যায় দূরে অই
নিখিল বাসর
মা গো! তবু
বাঁচতে চাই ছুঁয়ে
তোমার প্রাণের ক্ষত ব্যথা ও বেদনা।
এত কথা এত ভাব এবং ভাবনা!
ঐক্য করে হিংস্র খুনি লুটেরা তস্কর
তার সঙ্গে অন্ধকার মুখে নিয়ে
রক্ত দিয়ে তৈরি করা স্মৃতিকুঞ্জে
ওঁতপেতে বসে আছে চতুর শিয়াল
আমার খাঁচার মুরগি আর বুঝি
বাঁচানো গেল না!
কী এক গভীর ঘুমে
ঘুমিয়ে রয়েছে এই শস্যমগ্ন পোয়াতি উদ্যান
আমাদের প্রিয় দেশমাতা
চারিদিকে এত আলো
জীবনের এত রূপ সমূহ কোরাস!
যাবো কই?
আমি আর কোথাও যাবো না।
আমিও ছিলাম ঘুমে কাল রাতে;
হঠাত্ ঘুমের মধ্যে
পিতা এসে কানে কানে বললেন—
নষ্টদের নষ্টামিকে
ছোট করে দেখতে নেই,
অনেক হয়েছে খেলা
খেলতে খেলতে বেলা ডুবে যাবে—
সময়ের এক ফোঁড়
অসময়ে দশ
এবার জাগবার পালা, জেগে ওঠো পুনর্বার।
এক এক সময় ইচ্ছে হয়
সব কিছু ভেঙেচুরে
সত্তরের নৌকা নিয়ে পাড়ি দিই অথই যমুনা।
