শুক্রবার শুরু হচ্ছে শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব। ২১ দিনের এ উত্সবে সারাদেশ থেকে ৫ হাজার শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা নিয়ে হাজির হবেন।
সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে শিল্পকলা একাডেমির ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ৩ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয়বারের মতো ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব ২০২০’ বসছে একাডেমি প্রাঙ্গণে। দেশের ৬৪টি জেলা, ৬৪টি উপজেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের ৫ হাজারের অধিক শিল্পী ও শতাধিক সংগঠনের অংশগ্রহণে একাডেমির নন্দনমঞ্চে এই শিল্পযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। ঐতিহ্যবাহী লোকজ খেলা, লোকনাট্য ও সারাদেশের শিল্পীদের বিভিন্ন নান্দনিক পরিবেশনার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে এই উত্সবের অনুষ্ঠানমালা। উত্সবে প্রতিদিন তিনটি জেলা, তিনটি উপজেলা, জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী ও সংগঠনের পরিবেশনা থাকবে। এছাড়াও একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে একটি লোকনাট্য পরিবেশিত হবে।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় একাডেমির নন্দনমঞ্চে উত্সবের উদ্বোধন হবে। উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির সচিব মো. বদরুল আনম ভূঁইয়া। এ উত্সবকে সামনে রেখে গতকাল বুধবার শিল্পকলা একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সকল তথ্য জানানো হয়। উত্সবের বিস্তারিত নিয়ে কথা বলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
উত্সবে রয়েছে সমবেত সংগীত, যন্ত্র সংগীত, ঐতিহ্যবাহী লোকজ খেলা, পালা, একক সংগীত, বাউল সংগীত, ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য, যাত্রা, সমবেত নৃত্য, অ্যাক্রোবেটিক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনা, পুতুল নাট্য, একক আবৃত্তি, শিশুদের পরিবেশনা, বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগীত ও নৃত্য, নাটকের কোরিওগ্রাফি, বৃন্দ আবৃত্তি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের পরিবেশনা, আঞ্চলিক ও জেলা ব্রান্ডিং বিষয়ক সংগীত ও নৃত্য এবং জেলার ঐতিহ্যবাহী ভিডিও চিত্র প্রদর্শনী।
