আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য কিছু প্রস্তাবনা নিয়ে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) দপ্তরে যাবে। গতকাল শনিবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অনুষ্ঠিত সিদ্ধান্ত জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইসিতে আমাদের একটি ডেলিগেশন টিম যাবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমাদের প্রস্তাব এবং দাবিদাওয়াগুলো সেই চিঠিতে থাকবে। এছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিএমপি কমিশনার এবং আইজি প্রিজন বরাবর চিঠি দেওয়া হবে। আর গণমাধ্যমগুলো যাতে নিরপেক্ষভাবে সংবাদ প্রচার করতে পারে সে জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় চিঠি দেব এবং আলোচনা করব। বৈঠকে মির্জা ফখরুল ছাড়াও অংশ নেন—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। স্কাইপের মাধ্যমে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
উত্তরে মওদুদ, দক্ষিণে ড. মোশাররফ বিএনপির
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনায় দলের প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে দায়িত্ব দিয়েছে বিএনপি। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঢাকা দক্ষিণ এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন। বিষয়টি জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দক্ষিণের নির্বাচনে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। সমন্বয়ক থাকবেন মির্জা আব্বাস ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাদের সঙ্গে আরো দায়িত্বে থাকবেন আবদুস সালাম, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, কাজী আবুল বাশার। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আহ্বায়ক থাকবেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও বেগম সেলিমা রহমান। দুইটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হবে ২১ সদস্যের।
