সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলায় বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা-কর্মীদের মাঝে পুলিশি গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপির বড় বড় নেতা-কর্মীরা এখন কৌশলে গোপনে ভোটযুদ্ধে ভোট করে চলেছে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে।
জানা গেছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট প্রার্থীর ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নেতা-কর্মীগণ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করলে, স্থানীয় থানায় দায়েরকৃত একটি নাশকতার মামলায় অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামি হিসেবে ও বিশেষ ক্ষমতা আইন মামলায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা-কর্মীদের আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করতে শুরু করে। বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা-কর্মীদের নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা করার জন্য পুলিশ এই গ্রেপ্তার কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চালিয়ে আসছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।
এ পর্যন্ত পুলিশ গোয়ালা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মতিউর রহমান, সদর ইউনিয়ন সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোক্তাহারু ইসলাম, উপজেলা যুবদল সভাপতি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আনছারী, পাতাড়ী ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলামসহ সর্বশেষ গত মঙ্গলবার এশার নামাজ পড়ার জন্য হাসপাতাল মসজিদে গেলে হাসপাতাল গেট থেকে সাপাহার থানা-পুলিশ উপজেলা বিএনপি’র সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
নওগাঁ-১ আসনের প্রার্থী তিনবারের সফল সংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ছালেক চৌধুরী, সাপাহার উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুর রহমান কল্লোল বলেন, বিএনপি এতো বড় দল যেখানে এতো নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারপরও নেতা-কর্মীর অভাব নেই, তবে সাময়িক বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। জনগণ সব দেখতে পারছে। জনগণ ৩০ তারিখ ভোট দিয়ে বুঝিয়ে দিবে বিএনপির জনপ্রিয়তা কত এই সাপাহারের মাটিতে।
