রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের স্থান পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সোমবার ধর্ষণের শিকার ঢাবি ছাত্রীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে দেখতে গিয়ে ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এ তথ্য জানান।
এদিকে কী আলামত পাওয়া গেছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে গুলশান বিভাগের ডিসি সুদিপ চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানান, ‘সন্দেহভাজন আলামত এখন পর্যন্ত যা পাওয়া গেছে তা হলো ভিকটিমের পরিধেয় বস্ত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের বই, বিভাগের প্রসপেক্টাস, চাবির রিং, একটি কালো গ্যাবার্ডিনের প্যান্ট, স্যানিটারি ন্যাপকিন, একজোড়া স্যান্ডেল (পুরুষের), ঘড়ি, ইনহেলার ও স্পাইরাল মেশিন।
আরও পড়ুন: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নানক
ধর্ষকের আলামত ওভাবে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত করে দেখছি। সিআইডি থেকে যে ক্রাইম সিন এসেছে তারা এখনও আমাদের জানায়নি। পাশাপাশি প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছি, ম্যানুয়ালি চেষ্টা করছি।’

এদিকে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে মেয়েটিকে একজন ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের বিচার দাবিতে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। দুপুরে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
আরও পড়ুন: কাঁদলেন খামেনি
প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ঢাবির নিজস্ব বাসে রওনা দেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামেন। এরপর একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে নির্যাতনও করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে। ধর্ষণের এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। রাত ১০টার দিকে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি নিয়ে ঢামেকে আসেন। রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।
ইত্তেফাক/বিএএফ

