পরকীয়ার জেরে জাহাজ শ্রমিক জাহিদুলকে তিন জন মিলে খুন করে

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:২৮

হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিন পর গ্রেফতার হওয়া মহিউদ্দিন ও তার দুই সহযোগী গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, নিহত জাহাজ শ্রমিক জাহিদুল ইসলামের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জের ধরে জাহাজ শ্রমিক জাহিদুল ইসলামকে (৪২) ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে সে ও তার দুই সহযোগী শরীফ এবং মিথুন। নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহম্মেদ হুমায়ন কবিরের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে পৃথক পৃথকভাবে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে কিলিং মিশনে থাকা ওই তিনজন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই শামীম জানান, জিসান-২ নামে জাহাজের শ্রমিক জাহিদুল ইসলামের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল অপর জাহাজ শ্রমিক মহিউদ্দিনের। গত ১ ডিসেম্বর রাতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে নৌকা ভাড়া নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঘুরতে যায় জাহিদুল, মহিউদ্দিন, শরীফ ও মিথুন। ওইসময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে মহিউদ্দিন ও তার দুই সহযোগী জাহিদুলকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে নদীতে ফেলে দেয়। ৩ ডিসেম্বর দুপুরে বন্দর উপজেলার বক্তারকান্দী এলাকা থেকে জাহিদুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জাহিদুল ইসলাম পিরোজপুর চল্লিশসা এলাকার আমির আলীর ছেলে। তিনি ওটিএসএস জিসান-২ নামে জাহাজের গ্রিজার হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার পর পলাতক মহিউদ্দিনসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গত বুধবার রাতে পুলিশ মহিউদ্দিন ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে।