যাত্রা

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৩০

সন্ত্রস্ত্র মানুষগুলো       

ঊর্ধ্বশ্বাসে ঝরাপাতা, ধুলো 

উড়িয়ে ছুটছে, মাথায় কি কাঁধে দিন যাপনের সামান্য রশদ

অপুষ্ট আত্মজ কোলে, বুকে আজন্মের গ্লানিবোধ

ভূলুণ্ঠিত পরনের জীর্ণ বস্ত্র

পেছনেই ধাবমান মৃত্যু, তাক করা উন্মত্ত ধাতব অস্ত্র;

 

ক্ষীণদেহ জননীকে কাঁধে বা ঝোড়ায় 

বইছে যুবক, শুধিতে জন্মের দায়  

গৃহ-পশুর মলিন দড়ি শীর্ণ রমণীর শাঁখাপরা হাতে

দরদি কুকুর অবিচল পায়ে বিপন্ন প্রভুর সাথে— 

গন্তব্য কেউবা জানে, কারো কারো জানা নেই

ক্লান্ত পাথর পাগুলো ভুল করে একটু থামতেই

ফের চলার তাগিদ। ফসলের খেত, বিষণ্ন বৃক্ষের ফাঁকে   

বিহ্বল অসংখ্য চোখ চলমান দেহস্রোত পানে চেয়ে থাকে;

 

ক্রমশ পশ্চাত্মুখী হূদয়ের ভগ্নাংশ-স্মৃতিময় দেশ       

জল ভরা চোখ ফিরে ফিরে দেখে, এ দেখাই হয়তোবা শেষ।