/ সত্যজিত্ বিশ্বাস
ক্ষমতা যদি থাকেই, তবে
স্ত্রী :মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে সংসারে আগুন লাগিয়ে দিই।
স্বামী :সেই ক্ষমতা যদি থাকেই, তাহলে গ্যাস নেই জেনেও রান্নাটা সেরে ফেলছ না কেন?
গ্যাস সমস্যার সমাধান
প্রথম বন্ধু :অসম্ভব বুকে ব্যথা করছে রে। গ্যাসের চাপে জীবন শেষ।
দ্বিতীয় বন্ধু :আয় হায়, তাই নাকি! চল, চল তোকে এখনই নিয়ে যাই।
প্রথম বন্ধু :কই নিয়ে যাবি রে? কোন হাসপাতালে?
দ্বিতীয় বন্ধু :হাসপাতালে নেব কেন? নেব তো চুলার কাছে। কতক্ষণ ধরে গ্যাস নেই।
জিনিসটা যে কত মূল্যবান, তা বোঝাতে
সাংবাদিক :আচ্ছা, দ্বিগুণ দামে স্কুলে হাজিরা যন্ত্র কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে কেন?
কর্তৃপক্ষ :জিনিসটা যে কত মূল্যবান, সেটা বোঝাতে।
দেশের সেরা জুটি
প্রথম বন্ধু :নতুন বছরে দেশের সেরা জুটির নাম বল তো?
দ্বিতীয় বন্ধু :পেঁয়াজ-রসুন।
প্রথম বন্ধু :কী করে?
দ্বিতীয় বন্ধু :দুজনেই যে হাই ক্লাস ব্যাটসম্যান। অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি নিয়ে দুজনেই এখন মাঠে।
এই শীতে এত বৃষ্টি কেন?
শীতকাল :বৃষ্টি আপা, ঘটনা কী? এই সময়ে এত ওভারটাইম করছেন যে?
বৃষ্টি :না মানে, এবার বর্ষাকালে বেশ কিছুদিন ছুটিতে ছিলাম তো তাই।
এত অস্থির কেন?
ক্রেতা :কী মিয়া, সবজির বাজার এত অস্থির কেন?
বিক্রেতা :যে ঠান্ডা পড়ছে, এই শীতে কেমনে স্থির থাকে, কন?
একটা সুযোগও তো দিলে না
স্ত্রী :সুখে আছ তো, তাই টের পাও না। একবার বাসা থেকে বের হয়ে গেলে হাজার খুঁজেও পাবে না।
স্বামী :এই কথা তো বিয়ের পর থেকেই বলছ। একটা সুযোগও তো দিলে না।
তাই কখনো হয়?
প্রথম বন্ধু :দোস্ত, বিয়ে করতে যাচ্ছি। দোয়া করিস, মনের মতো যেন বউ পাই।
দ্বিতীয় বন্ধু :ধুর বোকা, তাই কখনো হয়?
একা একা ঠান্ডা লাগে যে
প্রথম বন্ধু :আচ্ছা দোস্ত, শীতকালে বেশির ভাগ বিয়ে হয় কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :একা একা ঠান্ডা লাগে যে, এই জন্য।
মনের ইচ্ছা পূরণ
স্বামী :দামি বাসায় থাকতে চেয়েছিলে না? তোমার মনের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।
স্ত্রী :তাই নাকি? নতুন বাসা পেয়েছ?
স্বামী :ঠিক তা না। নতুন বছর বলে বাড়িওয়ালা বাড়িভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে।
শীতকাল, না
মা :শীতকালের একটা ছবি আঁক তো।
(কিছু সময় পর বাচ্চা ড্রইং খাতা নিয়ে এলো মায়ের কাছে।)
বাচ্চা :মা, দেখ কী সুন্দর শীতকালের ছবি এঁকেছি। সুন্দর হয়েছে না?
মা :কই, কীসের ছবি এঁকেছ?
বাচ্চা :কেন, শীতকালের সকালের ছবি।
মা :কই, আমি তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
বাচ্চা :শীতকাল তো! এত সকালে কুয়াশার জন্য কী কিছু দেখা যায়?
কখনো অভিযোগ করেছি?
স্ত্রী :টিভিতে রোজ কী এত বিপিএল দেখ? খেলা তো জমে না।
স্বামী :তাতে কী?
স্ত্রী :তাতে কী মানে? ব্যাট হাতে দৌড়াদৌড়ি, বল হাতে দৌড়াদৌড়ি, সেই এক জিনিস প্রতিদিন দেখতে ভালো লাগে?
স্বামী :বিয়ে হলো আজ ১০ বছর। সেই একই জিনিস দেখা নিয়ে আমি কি কখনো অভিযোগ করেছি?
আসল কারণ
পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা সিলেট থান্ডারের অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন গেলেন জ্যোতিষীর কাছে।
মোসাদ্দেক হোসেন :বাবা, আমরা এত চেষ্টা করেও পয়েন্ট তালিকার তলানিতে পড়ে আছি কেন, বলবেন?
জ্যোতিষী :তোদের দলের নাম কী?
মোসাদ্দেক হোসেন :সিলেট থান্ডার।
জ্যোতিষী :তাহলে হয়েই গেল।
মোসাদ্দেক হোসেন :কী হয়ে গেল, বাবা?
জ্যোতিষী :হারের কারণ তো এটাই। যে দলের নামের লগে ঠাডা যোগ করা, সেই দলের উপর ঠাডা পড়ব না তো, কার উপর পড়ব?
২০২০-এর শুরুতেই ২০টি বার
প্রথম বন্ধু :শুনেছিস, বিমানের পরিচ্ছন্ন কর্মীর জুতার শুকতলায় সোনার ২০টি বার পাওয়া গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু :সোনার খনিতে তো সোনাই পাওয়া যাবে, এতে অবাক হওয়ার কী আছে? ২০২০-এর শুরুতেই ২০টি বার দিয়ে উদ্বোধন হলো।
হাসিতে তো সোনা ঝরে
প্রেমিক :ওগো তোমার হাসিতে তো সোনা ঝরে।
প্রেমিকা :সব কুড়িয়ে নাও। বিয়ের সময় আর যৌতুক চেয়ো না কিন্তু।
অজানা আশঙ্কা
প্রেমিকা :তখন থেকে কী ভাবছ, বলো তো?
প্রেমিক :অজানা আশঙ্কায় কেন জানি খুব ভয় করছে।
প্রেমিকা :আরে ধুর, তোমার মনে খালি কুসংস্কার। এখন চলো তো হ্যাপি নিউ ইয়ারের শপিংয়ে যাব।
প্রেমিক :যা ভেবেছিলাম, অজানা আশঙ্কাটা এবার সত্যি হলো।
যার যেটার অভাব
শিক্ষক :আজ তোদের আই কিউ টেস্ট নেব। আচ্ছা বল তো সুখ আর শান্তির মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে?
ছাত্র :অবশ্যই আছে, স্যার।
শিক্ষক :বাহ, বাহ, বেশ, বেশ! তা বল শুনি কী পার্থক্য?
ছাত্র :বানানে পার্থক্য স্যার। প্রথমটা ‘স’ দিয়ে শুরু শেষেরটা ‘শ’ দিয়ে।
শিক্ষক :আচ্ছা, তাহলে বল তো কোনটা বেশি দরকারি?
ছাত্র :যার যেটার অভাব।
সুখ না শান্তি?
শিষ্য :আচ্ছা গুরুদেব, সুখ না শান্তি—কোনটা কাম্য?
গুরুদেব :এটা নির্ভর করে বউ কেমন, তার ওপর।
শিষ্য :তার মানে?
গুরুদেব :এই যেমন আমি গাছতলায়।
টিভির নেশা
ছোট মেয়ে :ইশ, এখন যদি কারেন্টটা চলে যেত।
বাবা :এটা বলছ কেন?
ছোট মেয়ে :খুব খিদে পেয়েছে তো তাই।
বাবা :এর সাথে কারেন্ট চলে যাওয়ার কী সম্পর্ক?
ছোট মেয়ে :টিভির সিরিয়াল শেষ না হলে মা উঠবে ভেবেছ?
শীত বলে কথা
ভিড় বাসে এক পকেটমার, এক লোকের প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিয়েছে।
লোকটি (টের পেয়ে) :আমার পকেটে হাত ঢোকালেন কেন?
পকেটমার :শীতে নিজের পকেটে হাত রাখতে গিয়ে আপনার পকেটে হাত চলে গেছে, সরি ভাই।
লোকটি সবার সামনে ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিলেন পকেটমারের গালে।
পকেটমার :কী ব্যাপার, আমাকে চড় মারলেন কেন?
লোকটি :শীতে নিজের গাল গরম করতে গিয়ে আপনার গাল গরম করে দিয়েছি, সরি ভাই।
গাধা কে?
প্রথম বন্ধু :আগামীকাল আমার বিয়ে।
দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কী! তাহলে তো আজ তোর জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।
প্রথম বন্ধু :আরে গাধা, বিয়ে আজ না আগামীকাল।
দ্বিতীয় বন্ধু :সেই জন্যই তো আজ বললাম। কাল বিয়েটা হয়ে গেলেই বুঝবি, গাধা কে—আমি না তুই?
