সেচ কমিটির অনুমতি না পেয়ে দিশেহারা কৃষক

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:১৯

সেচ কমিটির অনুমতি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছেন বলে অভিযোগ করেছেন শেরপুরের ঝিনাইগাতীর গভীর নলকূপ স্থাপনকারী প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক বোরো মৌসুমের প্রায় মাস তিনেক আগেই সেচ কমিটির কাছে অনুমতির জন্য আবেদন করলেও অনুমতি পায়নি ভুক্তভোগী কৃষকেরা।  

রোববার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বোরো মৌসুমের ২/৩মাস পূর্বে সেচ কমিটির অনুমতি পেতে তারা আবেদন করেছেন। অথচ বোরো মৌসুম শুরু হলেও আজও অনুমতি পায়নি তারা। ফলে বোরো ধান চাষাবাদ ব্যাহত হবার আশঙ্কার কথা জানান অভিযোগকারী কৃষকেরা।

নিয়ম রয়েছে, গভীর নলকূপ স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে উপজেলা সেচ কমিটির অনুমতি এবং ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি নির্বাহী অফিসার ও সদস্য সচিব বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা। কৃষকরা গভীর নলকূপ স্থাপনের পূর্বে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করেন। প্রথমে বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা সরেজমিনে এক নলকূপ থেকে অপর নলকূপের দূরত্বসহ সকল বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে অনুমতির জন্য সুপারিশ করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২য় দফায় মাঠ পরিদর্শন শেষে কৃষকদের ছাড়পত্র দেন। ওই ছাড়পত্রের বলে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চালাতে হয় গভীর নলকূপ। 

কাংশা গ্রামের কৃষক আঃ কাদের, আঃ লতিফ, আঃ আওয়াল, মোহাম্মদ আলী, তাওয়াকোচা গ্রামের হাজ্বী নূর উদ্দিন, আহাম্মদ আলী, দুপুরীয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন, সাহেব আলী, আলী মিয়া ও আনিছ মিয়া, নাচুন মহুরী গ্রামের রুবেল, হিটলার পানবর গ্রামের মোশারফ হোসেন ও হাছেন আলীসহ আরও অনেকেই জানান, চলতি মৌসুমে বোরো চাষের লক্ষ্যে তারা প্রায় ৩ মাস পূর্বে আবেদন করেছেন। কিন্তু আজও ছাড়পত্র না পেয়ে বিপাকে পড়েছে তারা। ফলে বোরো ধান চাষ করতে না পারার আশঙ্কায় তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। 

আরও পড়ুন: হাসপাতালে দুর্নীতির দায়ে তিন চিকিৎসক কারাগারে

বিএডিসি’র মাঠ কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, মাঠ পরিদর্শন করে আবেদনগুলো সেচ কমিটির সভাপতির নিকট পৌঁছানো হয়েছে। তিনি ছাড়পত্র দেবেন বলে জানিয়েছেন।  তবে বিষয়টি জানতে সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

ইত্তেফাক/আরআই