লক্ষ্য যখন আকাশপথে

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:০৬

 

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য জ্ঞানার্জন। প্রতিযোগিতার এই যুগে জীবনমুখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। রোমাঞ্চকর-আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার নিয়ে ভবিষ্যত্ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিমান প্রকৌশল। এসএসসি, ‘ও’ লেভেল, দাখিল বা সমমান পাসের পরেই একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনা শুরু করতে পারে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। বিটেক লেভেল-৩ ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য শিক্ষাবোর্ড পিয়ারসন ইউকে-এর অধীনে পরিচালিত একটি অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম; যার মাধ্যমে মাত্র চার বছরেই একজন শিক্ষার্থী ব্যাচেলর অর্থাত্ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করতে পারে। অ্যারোনটিক্যাল  ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতের ফ্লাইট সেফটি, এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট, প্ল্যানিং, এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স, বহুবিধ  এয়ারলাইন্স এবং এভিয়েশন সেক্টরে কর্মক্ষম এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার। এইচএসসি  পাসের পর শতভাগ শিক্ষাবৃত্তিসহ অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্তর্জাতিকমানের পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে বিএসবি ফাউন্ডেশন পরিচালিত ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এভিয়েশন। প্রতিষ্ঠানটি অভিজ্ঞ ও দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক, বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর  অবসরপ্রাপ্ত  কর্মকর্তাবৃন্দ ও সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দ্বারা  পরিচালিত। (বিস্তারিত জানতে:০১৭৬২৬-৮৮০৩৫)। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য  রয়েছে সিআইসির নিজস্ব বিমান পাইপার স্নিগার পি-এ ২৮,  ফাইটার ডব্লিউ ৭সি জেট ইঞ্জিনসমৃদ্ধ এনরিচ অ্যারোল্যাব। আরো রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও স্মার্টবোর্ড সুবিধাসহ সুসজ্জিত  ক্লাসরুম, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হোস্টেল ও ট্রান্সপোর্ট সুবিধা।